বয়সসীমাসহ জীবনবিকাশের স্তর ও প্রাকপ্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।
জীবনবিকাশের স্তর ও প্রথাগত শিক্ষাস্তর শিক্ষার স্তর অনুযায়ী জীবনবিকাশের ধারাকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। যথা一 (১) প্রাকৃবিদ্যালয় স্তর: শিশুর তিন বছর থেকে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত সময়কাল প্রাকৃবিদ্যালয় স্তর হিসেবে চিহ্নিত। এই স্তরে শ্রেণি হল নার্সারি, কেজি ১ এবং কেজি ২। এখানে উল্লেখ করা প্রয়ােজন, অধিকাংশ সাধারণ ঘরের শিশুরা ক্লেশে যায় না। (২) নিম্নপ্রাথমিক ...
প্রাপ্তবয়স্ক কাদের বলে? প্রাপ্তবয়স্কদের বিকাশ বিশেষ করে শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক বিকাশ সম্পর্কে আলােচনা করাে।
প্রাপ্তবয়স্ক কুড়ি বছর থেকে পঁয়ষট্টি বছর অর্থাৎ ব্যক্তি পরিণত বয়সে উপনীত হওয়া থেকে যতদিন পর্যন্ত সন্তান উৎপাদনে সক্ষম সেই সময়কালকেই প্রাপ্তবয়স্ক বলা হয়। প্রাপ্তবয়স্কদের বিকাশ প্রাপ্তবয়স্কের প্রথম দিকে অর্থাৎ কুড়ি থেকে তিরিশ বছরের মধ্যে ব্যক্তি তার বৃত্তিজীবন এবং জীবনসঙ্গী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। Sheely (1976) এবং Gould (1975)-এর মতে, এই বয়সে ব্যক্তি উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং বিশেষ ...
কৈশােরকালকে ‘ঝড়-ঝঞ্ঝা ও দুঃখ-কষ্টের কাল’ বলা হয় কেন? অথবা, যৌবনাগম ‘ঝড়-ঝক্ষ্মা, পীড়ন ও কষ্টের কাল’ কেন? বয়ঃসন্ধি বা কৈশাের-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা সম্পর্কে লেখাে।
কৈশাের-ঝড়ঝঞ্ঝা ও দুঃখ-কষ্টের কাল বাল্য ও বয়স্ককালের মধ্যবর্তী সময়কাল হল কৈশাের বা বয়ঃসন্ধিকাল| জীবনবিকাশের এই পর্যায়ে ছেলেমেয়েরা বাল্যাবস্থা থেকে প্রাপ্তবয়স্ক স্তরের দিকে অগ্রসর হয়। এই পর্যায়ে তাদের দৈহিক, মানসিক, সামাজিক, প্রাক্ষোভিক প্রভৃতি বিভিন্ন দিকে উল্লেখযােগ্য পরিবর্তন ঘটে যার সঙ্গে তারা সহজে মানিয়ে নিতে পারে না। যার ফলে তাদের জীবনে যেন ঝড় বয়ে যায়। মানবজীবনের এই ...
কৈশাের কাকে বলে? কিশাের-কিশােরীদের ব্যক্তিগত অভিযােজনে মাধ্যমিক শিক্ষা কীভাবে সহায়তা করে?
কৈশাের কৈশাের হল এমন একটি বয়ঃস্তর, যে সময়ে ছেলেমেয়েরা মানসিক, প্রাক্ষোভিক, সামাজিক এবং দৈহিক বৃদ্ধি ও বিকাশের মধ্য দিয়ে বাল্য থেকে প্রাপ্তবয়স্ককালের দিকে এগিয়ে চলে। মনােবিদ হারলকের মতে, 12 থেকে 21 বছর পর্যন্ত সময়কাল হল কৈশােরকাল। কিশাের-কিশােরীদের ব্যক্তিগত অভিযােজনে মাধ্যমিক শিক্ষা মাধ্যমিক শিক্ষা হল একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ শিক্ষান্তর। এই শিক্ষান্তরটি কিশাের-কিশােরীদের ব্যক্তিগত অভিযােজনে নানানভাবে সহায়তা করে। ...
কৈশােরে ছেলেমেয়েদের চাহিদাপূরণের জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বাবা-মায়ের ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত তা লেখাে।
কৈশােরের চাহিদাপূরণে শিক্ষক ও বাবা-মায়ের ভূমিকা জীবনবিকাশের স্তরগুলির মধ্যে কৈশাের অত্যন্ত সংকটপূর্ণ কাল। এইসময় উপযুক্ত পরিচালনার মাধ্যমে একজন কিশাের বা কিশােরীকে যেমন সুস্থ, সবল, উৎপাদনশীল নাগরিকে পরিণত করা যায়, তেমনি সুপরিচালনা এবং নির্দেশনার অভাবে ‘বখে যাওয়া’ অকর্মণ্য কিশাের-কিশােরী সমাজের বোঝা হয়ে উঠতে পারে। তাই মা-বাবা, শিক্ষক ও অভিভাবককে যথেষ্ট সহানুভূতি এবং সতর্কতার সঙ্গে কিশাের-কিশােরীদের পরিচালনার ...
