একটি আদি মহাকাব্য, সাহিত্যিক মহাকাব্য, বিশুদ্ধ মহাকাব্য | মহাকাব্যের লক্ষণ, সাহিত্যিক মহাকাব্যের লক্ষণ
বিশুদ্ধ মহাকাব্য মহাকাব্য বা এপিক হল তন্ময় আখ্যান কাব্যের একটি মহত্তম বিভাগ। রচনাগত দিক থেকে এটি প্রাচীন, দীর্ঘ কাহিনিমুক্ত এবং বস্তুনিষ্ঠ সাহিত্য প্রকরণ। বঙ্কিমচন্দ্রের ধারণায় এতে গীতি-কবিতার মন্ময়তা এবং নাটকের বস্তুনিষ্ঠা দুয়েরই সমন্বয় ঘটেছে। অর্থাৎ—“মহাকাব্যের বিশেষ গুণ এই যে, কবির উভয়বিধ অধিকার থাকে, বক্তব্য এবং অবক্তব্য, উভয়ই তাঁহার আয়ত্ব।” প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যিক তাত্ত্বিক অ্যারিস্টটল যেমন ...
মহাকাব্য কাকে বলে? এর শ্রেণি কয়টি? যে-কোন একটি শ্রেণির মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্য উদাহরণ সহ আলোচনা করো। প্রসঙ্গত মহাকাব্য সম্পর্কে অ্যারিষ্টটলের মত সংক্ষেপে লিপিবদ্ধ করো।
মহাকাব্যের ইংরাজি প্রতিশব্দ Epic গোসলে গ্রিক Epos শব্দের রূপান্তর। Epos শব্দের প্রাচীন অর্থ ছিল ‘শব্দ’ পরে এই শব্দের ওপর বিভিন্ন অর্থ আরোপিত হয়েছে কখনো বিবরণ বা কাহিনি কখনো বা বীরত্মব্যঞ্জক কবিতা বা কাব্য অবশেষে Epic-এর অর্থ দাড়িয়ে যায় কাহিনিমূলক বীরত্ব ব্যঞ্জক কবিতা। সংস্কৃত বা বাংলার মহাকাব্য শব্দটির মধ্যেই মহতের ব্যঞ্জনা থেকে গেছে। মহাকাব্য তন্ময়কাব্য। মহাকাব্য ...
সনেটের বৈশিষ্ট্য উদাহরণসহ আলোচনা করো। সনেটের বিভিন্ন রীতিগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দান করে বাংলা সাহিত্যে সনেট রচয়িতাদের একটি সংক্ষিপ্ত রূপরেখা অঙ্কন করো। প্রথমত একটি সার্থক সনেট বিশ্লেষণ করো।
সাহিত্য প্রকরণের ভাষায় কবির ব্যক্তিক অনুভূতির সহজ সাবলীল সংগীত মুখর আত্মপ্রকাশই হল গীতি কবিতা। গীতি কবিতার ভাবকে মূর্তি দানের জন্য যখন বিশেষ ধরনের অবয়ব শৃঙ্খলা মানা হয় তখন নির্দিষ্ট প্রকরণ ভিত্তিক সনেট জন্মলাভ করে। গীতি কাব্যে এই বিশেষ শাখায় কবির আবেগকে চোেদ্দ পঙক্তির পরিসরে বেঁধে রাখা হয়। এছাড়াও মিল বিন্যাসের কঠিন শৃঙ্খলা কবিকে মেনে চলতে ...
বৈষ্ণব কবিতা কী গীতি কবিতা? গীতি কবিতার সংজ্ঞা দিয়ে আলোচনা করো।
বৈষ্ণব পদাবলী গীত কবিতা কিনা এনিয়ে বিতর্কের অবকাশ থাকলেও এর গীতি ধর্মবিষয়ে সন্দেহের অবকাশ থাকে না। বাঙালি মানসে যে গীতি প্রবণতার সুর চর্যাপদের যুগ থেকে আরম্ভ করে সাহিত্য ধারায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রবাহিত হয়ে আসছিল, বৈক্ষ্ণব পদাবলীতে তা উত্তাল কলরোলে পরিণত হল, বৈক্ষ্ণব পদাবলীর গীতি কাব্যিক লক্ষণ বিচারের পূর্বে গীতি কবিতার স্বজন সম্পর্কে আলোচনা করে ...
সমস্ত রকম কবিতার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
নীতি কবিতা : ধর্ম, দর্শন, অর্থনীত, রাজনীতি, সমাজ ইত্যাদি বিষয়ে কোনো তত্ত্ব বা জ্ঞানগর্ভ উপদেশ প্রচারের উদ্দেশ্যে যে কাব্য কবিতা রচিত হয় তাকেই বলে নীতি কবিতা। নীতি কবিতায় কবির সাফল্য সেখানেই যেখানে নীতি কবিতা শুধু তত্ত্ব নীরস জ্ঞানকে কল্পনা জারক রসে জারিত করে আপন মনোমাধুরী মিশ্রিত করে পাঠককে আকৃষ্ট করে। যেমন রবীন্দ্রনাথের কণিকার ভক্তিভাজন জুতা ...
