প্রাচীন ভারতের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।
বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয় বিক্রমশিলা মহাবিহার ছিল প্রাচীন ভারতের উচ্চশিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি ম্লান হয়ে আসার সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়টির উদ্ভব ঘটে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা নীচে দেওয়া হল一 (১) অবস্থান: বিশ্ববিদ্যালয়টি বর্তমান বিহারের ভাগলপুর জেলার কাছে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। (২) প্রতিষ্ঠা: আনুমানিক নবম শতাব্দীতে পালযুগে সম্রাট ধর্মপাল তাঁর নিজের নাম বিক্রমশিল ...
বৌদ্ধ শিক্ষাব্যবস্থার যে-কোনাে একটি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আলােচনা করাে।
নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাচীন ভারতে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় এশিয়ার শ্রেষ্ঠ উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিল। সর্বাধিক খ্যাতিঅর্জনকারী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি প্রকৃতপক্ষে ছিল একটি বৌদ্ধবিহার। নীচে এই উচ্চশিক্ষাকেন্দ্রটির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেওয়া হল一 (১) অবস্থান: নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ছিল বর্তমান বিহার রাজ্যের পাটনা শহরের রাজগিরের কাছে। (২) প্রতিষ্ঠাকাল: খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতকে গুপ্ত রাজাদের রাজত্বকালে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। (৩) ...
প্রাচীন ভারতের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার যে বৈশিষ্ট্যগুলি আধুনিক শিক্ষায় গ্রহণযােগ্য সেগুলি আলােচনা করাে।
প্রাচীন ভারতের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বৈশিষ্ট্য যা আধুনিক শিক্ষায় গ্রহণযােগ্য প্রাচীন ভারতের শিক্ষায় এমন কতকগুলি বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায় যা বর্তমানকালের শিক্ষাব্যবস্থায় যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ এবং গ্রহণযােগ্য। সেগুলির মধ্যে উল্লেখযােগ্য হল一 (১) লক্ষ্য: প্রাচীন ভারতের শিক্ষার লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীর সৎ চরিত্র গঠন এবং ব্যক্তিত্বের যথাযথ বিকাশসাধন এই লক্ষ্যটি বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। (২) শৃঙ্খলা: প্রাচীন ভারতীয় শিক্ষায় ...
বৌদ্ধ শিক্ষাব্যবস্থার মুখ্য বৈশিষ্ট্যগুলি লেখাে।
বৌদ্ধ শিক্ষাব্যবস্থার মুখ্য বৈশিষ্ট্য প্রাচীন ভারতে ব্রাঘণ্য শিক্ষার প্রতিবাদস্বরূপ বৌদ্ধ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে ওঠে। এই শিক্ষাব্যবস্থা সর্বজনীন হওয়ায় শুধু ভারতে নয়, ভারতের বাইরের বহু দেশের মানুষের কাছেও তা গ্রহণযােগ্য হয়ে উঠেছিল। এই শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যগুলি নীচে আলােচনা করা হল一 (১) শিক্ষার লক্ষ্য: পরিনির্বাণ ছিল বৌদ্ধ শিক্ষার চরম লক্ষ্য। দুঃখজর্জরিত সমাজজীবনের বন্ধন থেকে চিরকালের জন্য মুক্তিলাভই হল ...
বৈদিক যুগের শিক্ষাদান পদ্ধতির সঙ্গে তােমার পরিচিতি দাও। বৈদিক-ব্রাহ্মণ্য ও বৌদ্ধ শিক্ষার সাদৃশ্যগুলি উল্লেখ করাে।
বৈদিক যুগের শিক্ষাদান পদ্ধতি বৈদিক যুগে পঠনপাঠনের বিষয় ছিল যজ্ঞের “মন্ত্র’। লিখিত পুস্তক তখন ছিল না। শিক্ষাপদ্ধতি ছিল আবৃত্তি। শিক্ষক বা আচার্য যথাযথ ছন্দ ও ধ্বনিতে মন্ত্র উচ্চারণ করতেন, ছাত্র বা শিষ্যরা তা শুনে মনন ও অনুধাবনের সঙ্গে আয়ত্ত করত। সুতরাং, শিক্ষা-শিখন প্রক্রিয়ায় ছাত্র অর্থাৎ শিষ্যদের ভূমিকা ছিল মুখ্য। বৈদিক যুগের ঋষিরা মনে করতেন প্রকৃত ...
