মধ্যযুগে ভারতের নারীশিক্ষা কেমন ছিল—সে সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখাে।
মধ্যযুগে ভারতের নারীশিক্ষা গোঁড়া মুসলমানগণ নারীশিক্ষাকে সমাজের পক্ষে হানিকর বলে মনে করলেও মধ্যযুগের মুসলমান শাসকরা এবং মনীষীগণ নারীশিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতেন। ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হজরত মহম্মদও নারীশিক্ষাকে আবশ্যিক বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু পরবর্তীকালে পর্দাপ্রথার প্রচলন হওয়ায় নারীশিক্ষা অনেকখানি সংকুচিত হয়। নীচে মধ্যযুগের নারীশিক্ষা প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি আলােচনা করা হল一 (১) অন্দরমহলে শিক্ষা: মধ্যযুগে নারীশিক্ষার বিকাশের ...
মুসলিম যুগে শিক্ষার অসুবিধাগুলি কী কী ছিল?
মুসলিম যুগে শিক্ষার অসুবিধা অন্যান্য শিক্ষাব্যবস্থার মতাে ইসলামীয় শিক্ষার ক্ষেত্রেও সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও ছিল। সেগুলি হল一 (১) সর্বজনীনতার অভাব: এই শিক্ষা প্রকৃত অর্থে সর্বজনীন ছিল না। (২) হিন্দুদের অবহেলা: হিন্দুরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই শিক্ষায় অবহেলিত হত। (৩) মাতৃভাষার অবহেলা: ইসলামীয় শিক্ষায় মাতৃভাষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হত না। (৪) নারীশিক্ষার অবহেলা: নারীশিক্ষাও এই শিক্ষাব্যবস্থায় অনেকাংশে ...
মুসলিম যুগে শিক্ষার সুবিধাগুলি কী কী ছিল?
মুসলিম যুগে শিক্ষার সুবিধা মুসলিম যুগে শিক্ষার ক্ষেত্রে যে ইতিবাচক দিকগুলি সুবিধাগুলি লক্ষ করা গিয়েছিল, সেগুলি নীচে উল্লেখ করা হল一 (১) অবৈতনিক: মুসলিম শিক্ষা ছিল অবৈতনিক। (২) বাধ্যতামূলক: ছেলেদের ক্ষেত্রে এই শিক্ষা ছিল বাধ্যতামূলক। (৩) সমন্বয়কারী: ধর্মীয় মূল্যবােধের ওপরেই পাঠদান করা হলেও ওই শিক্ষাব্যবস্থায় পার্থিব চাহিদার সঙ্গে শিক্ষার সমন্বয় ঘটানাে হত। (৪) বাস্তব জীবনের উপযােগী: ...
ইসলামীয় শিক্ষাব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করাে | ভারতে মধ্যযুগীয় শিক্ষার পাঁচটি উল্লেখযােগ্য বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলােচনা করাে।
ইসলামীয় শিক্ষাব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য দ্বাদশ শতকের শুরুতে ভারতবর্ষে বহুবার মুসলিম শাসকদের আক্রমণ ঘটে। ক্রমাগত মুসলিম আক্রমণের ফলে প্রাচীন হিন্দু যুগের অবসান হয় এবং ধীরে ধীরে মুসলিম শাসকরা ভারতবর্ষে চিরস্থায়ী শাসনব্যবস্থা গড়ে তােলে। তাদের প্রভাবে ভাষা, সংস্কৃতি এবং ধর্মে বিভিন্ন পরিবর্তন আসে। মুসলিম-প্রভাবিত যুগকে মধ্যযুগ বা ইসলামীয় সভ্যতার যুগ বলা হয়। মুসলিম যুগের বা মধ্যযুগীয় শিক্ষার বৈশিষ্ট্যগুলি ...
