আমাদের দেশের আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় রবীন্দ্রনাথের প্রাসঙ্গিকতা সংক্ষেপে উল্লেখ করাে। রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাদর্শনের বিভিন্ন দিকগুলি কী কী?
আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় রবীন্দ্রনাথের প্রাসঙ্গিকতা আমাদের দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা যে তত্ত্বগতভাবে। রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাদর্শের দ্বারা বিশেষভাবে প্রভাবিত সে-বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। (১) শিশুর অন্তর্নিহিত সম্ভাবনার বিকাশসাধন ও চরিত্রগঠন: রবীন্দ্রনাথ তাঁর শিক্ষাদর্শে শিশুর অন্তর্নিহিত সম্ভাবনার বিকাশসাধন এবং চরিত্রগঠনকে শিক্ষার লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। আধুনিক শিক্ষাতেও এগুলিকে শিক্ষার বিশেষ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। (২) আকর্ষণীয় শিক্ষা-পরিবেশ ও ক্থাত্র-শিক্ষকের ...
শান্তিনিকেতনে ব্রম্মচর্যাশ্রম ও বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ কীভাবে তাঁর শিক্ষাচিন্তার প্রয়ােগ করেন?
শিক্ষার তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারিক ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের অবদান শিক্ষাপ্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ বলতেন— “শিক্ষা হল ব্যক্তিজীবনের পরিপূর্ণ বিকাশসাধন, এককথায় মনুষ্যত্বের বিকাশসাধন।” তাই, শিক্ষার তাত্ত্বিক এবং ব্যাবহারিক উভয়দিক সম্পর্কেই রবীন্দ্রনাথ সমান যত্নশীল ছিলেন। শিক্ষার তত্ত্বগত দিকগুলির বাস্তব রূপায়ণের জন্য তিনি শান্তিনিকেতনের ছায়ান্নিঃধ পরিবেশে পল্লি-প্রকৃতির কোলে ব্রম্মচর্যাশ্রম নামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে জাতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ...
স্ত্রীশিক্ষা প্রসার, বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রসারে বিদ্যাসাগরের ভূমিকা লেখো। সংস্কৃত শিক্ষা সম্পর্কে তাঁর অভিমত কী ছিল?
স্ত্রীশিক্ষা প্রসারে বিদ্যাসাগরের ভূমিকা স্ত্রীশিক্ষা প্রসারের ক্ষেত্রে যেসব মনীষী উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর অন্যতম। বিদ্যাসাগরের সহায়তায় বেথুন সাহেব 1849 খ্রিস্টাব্দের 7 মে বিনা বেতনের একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন। 1850 খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে বিদ্যাসাগর ওই বিদ্যালয়ের অবৈতনিক সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর তিনি তাঁর পরিচিতদের কাছে ওই বিদ্যালয়ে নিজেদের কন্যাসন্তানদের ভরতি ...
উনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে বাংলা নবজাগরণে বিদ্যাসাগরের বহুমুখী অবদান বিস্তারিতভাবে লেখাে।
বাংলার নবজাগরণে বিদ্যাসাগরের বহুমুখী অবদান উনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে বাংলা তথা ভারতবর্ষে যে নবজাগরণ ঘটেছিল, তাতে যেসব মনীষী অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে বিদ্যাসাগর ছিলেন অন্যতম প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সংস্কৃতির সমন্বয় ঘটানাের কাজ তিনি ছিলেন অন্যতম পথিকৃৎ। বিদ্যাসাগরের প্রতিভা ছিল বহুমুখী। তৎকালীন সমাজজীবনে তাঁর সংস্কারমূলক ভূমিকা এক নতুন প্রেরণা জোগায়। তাঁর বহুমুখী অবদানকে নিম্নলিখিত তিনটি ...
প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে বিদ্যাসাগরের অবদান কী? এই প্রসঙ্গে তাঁর বর্ণপরিচয় পুস্তকটির গুরুত্ব আলােচনা করাে।
প্রাথমিক শিক্ষায় বিদ্যাসাগরের অবদান প্রাথমিক শিক্ষার উন্নতি ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে বিদ্যাসাগরের অবদান অবিস্মরণীয়। বিদ্যাসাগরের কালে প্রাথমিক শিক্ষা ছিল অত্যন্ত অবহেলিত। তিনি দেশজ বিদ্যালয়গুলির শােচনীয় অবস্থা উপলব্ধি করে, সেগুলির সংস্কারের জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। বিদ্যাসাগর প্রাথমিক শিক্ষার বিকাশের জন্য যেসব সুপারিশ করেছিলেন, তার মূল বিষয়গুলি হল一 (১) শিক্ষার মাধ্যম: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে ...
