কীভাবে বিবর্তনের মধ্য দিয়ে আদিম মানুষ শিকারী খাদ্য সংগ্রাহক থেকে স্থায়ী বসবাসকারীতে পরিণত হয়?
সূচনা: নব্য প্রস্তর যুগের আগে পর্যন্ত খাদ্য উৎপাদন করতে জানত না বলে মানুষ বিভিন্ন হাতিয়ারের সহায়তায় তারা বন্য পশু শিকার করত এবং বনের ফলমূল, পাখির ডিম, নদীর মাছ প্রভৃতি সংগ্রহ করত। অর্থাৎ প্রথম পর্যায়ে আদিম মানুষ ছিল খাদ্যসংগ্রাহক (Food-gatherer)। পুরুষ ও নারী উভয়েই খাদ্য সংগ্রহের কাজে যুক্ত থাকত। আদিম মানুষ: শিকারী খাদ্য সংগ্রাহক থেকে স্থায়ী ...
তাম্র-প্রস্তর যুগ (Chalcolithic Age)-এর সংস্কৃতির পরিচয় দাও।
সূচনা: মানুষ যে যুগে পাথরের ব্যবহারের পাশাপাশি ধাতু হিসেবে তামার ব্যবহারও শুরু করেছিল সেই যুগ হল তাম্র-প্রস্তর যুগ। মানবজাতির অগ্রগতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় এই যুগ প্রুত্বপূর্ণ সূচনা নেয়। প্রাচীন মিশর, মেসোপটেমিয়া ও ভারতে তাম্র প্রস্তর যুগের বহু নিদর্শন মিলেছে। তাম্র-প্রস্তর যুগের সংস্কৃতির পরিচয় [1] সময়কাল: নব্য প্রস্তর যুগ শেষ হয় আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব আট হাজার অব্দ নাগাদ। ...
প্রাচীন প্রস্তর ও নব্য প্রস্তর উভয় যুগের মানুষের জীবনযাত্রা প্রণালীর পার্থক্যগুলি উল্লেখ করাে। উভয় যুগের হাতিয়ারের পার্থক্যগুলি লেখাে।
নব্য প্রস্তর যুগের সমাজব্যবস্থা কেমন ছিল? এ যুগের চাষবাস সম্পর্কে লেখাে।
নব্য প্রস্তর যুগের সমাজব্যবস্থা নব্য প্রস্তর যুগে মানুষ আগের তুলনায় আরও বেশি সমাজবদ্ধ হয়। একে অপরের ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে ওঠে। এসময় থেকেই সমাজে পেশাভিত্তিক শ্রেণির উদ্ভব ঘটে। [1] কাঠামাে: পুরাতন পাথরের যুগে গড়ে ওঠা সমাজ কাঠামাে নব্য প্রস্তর যুগে এসে আরও পরিশীলিত হয়। খাদ্যের জোগান সুনিশ্চিত হওয়ায় সময়ের অপচয় কমে। পরিবারের সদস্যরা নিজেদের ...
নব্য প্রস্তর বা নতুন পাথরের যুগের মানবজীবনের নানা দিকগুলি উল্লেখ করাে।
সূচনা: পাথরের যুগের শেষ পর্যায় নতুন পাথর বা নব্য প্রস্তর যুগ (Neolithic Age) নামে পরিচিত। মধ্য প্রস্তর সংস্কৃতির শেষে এই পর্বে পৃথিবীর আবহাওয়া অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসে। এই অনুকূল পরিবেশে আদিম মানবের জীবনযাত্রায় উল্লেখযােগ্য সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন সূচিত হয়। আনুমানিক খ্রি.পূ. ৮০০০-৪০০০ অব্দ পর্যন্ত সময়কাল হল নতুন পাথরের যুগ। নব্য প্রস্তর যুগের মানবজীবনের বিভিন্ন ...
