প্রাচীন ভারতের এবং মধ্যযুগের ইউরোপের নগরায়ণের মধ্যে একটি তুলনামূলক আলােচনা করাে।
প্রাচীন ভারতের এবং মধ্যযুগের ইউরােপের নগরায়ণের তুলনাপৃথিবীর সুপ্রাচীন সভ্যতাগুলির সমসাময়িক ভারতের হরপ্পা সভ্যতার সময় থেকে এদেশে নগরজীবনের সূত্রপাত ঘটে। পরবর্তী বিভিন্ন যুগে ভারতে নগরায়ণ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে। আবার মধ্যযুগের ইউরােপে নগরজীবনের প্রসার সেখানকার সমাজ ও অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। নীচে ভারত ও ইউরোপের নগরায়ণের একটি তুলনামূলক আলােচনা করা হল一ভারতের বাণিজ্য ভারতের নগরায়ণের ইতিহাস ইউরােপের তুলনায় ...
গুপ্তযুগে ভারতে নগরের অবক্ষয়ের কারণগুলি আলােচনা করাে। প্রাচীন ভারতে নগরায়ণের সুফল উল্লেখ করাে।
গুপ্তযুগে নগরের অবক্ষয়ের কারণ প্রাচীন ভারতে নগরায়ণের ঐতিহ্য যথেষ্ট গৌরবােজ্জ্বল হলেও গুপ্তযুগ থেকে ভারতে নগরপুলিতে অবক্ষয় দেখা দেয়। এই সময় নগরের সংখ্যা ক্রমে হ্রাস পেতে থাকে। ইতিহাসবিদ ড. রামশরণ শর্মা, বি. এন. যাদব প্রমুখ এই যুগে নগরায়ণের অবক্ষয়ের বিভিন্ন কারণ ব্যাখ্যা করেছেন一 [1] রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতার অভাব: মৌর্য-পরবর্তী যুগে উত্তর ভারতে কুষাণ ও দক্ষিণ ভারতে সাতবাহন ...
প্রাচীন ভারতে নগরের উৎপত্তির প্রধান কারণগুলি কী ছিল? প্রাচীন ভারতে নগরায়ণের ইতিহাস সংক্ষেপে উল্লেখ করাে।
প্রাচীন ভারতে নগরের উৎপত্তির কারণ প্রাচীন ভারতে সর্বপ্রথম হরপ্পা সভ্যতার যুগে নগর সভ্যতার সূচনা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ষােড়শ মহাজনপদের যুগে এবং তৃতীয় পর্যায়ে আদিমধ্যযুগে বহু নতুন নতুন নগরের উদ্ভব হয়। প্রাচীন ভারতে নগরের উদ্ভবের বিভিন্ন কারণ ছিল। [1] গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র গড়ে ওঠা: ড. রামশরণ শর্মার মতে, সামরিক ছাউনি, প্রশাসনিক কেন্দ্র, যাতাযাতের কেন্দ্র, শিল্পী ও কারিগরদের ...
প্রাচীন ভারতের এবং মধ্যযুগের ইউরােপের বাণিজ্যের একটি তুলনামূলক আলােচনা করাে।
প্রাচীন ভারতের এবং মধ্যযুগের ইউরােপের বাণিজ্যের তুলনা প্রাচীন ভারতে বিভিন্ন যুগে কৃষি ও শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি বাণিজ্যের যথেষ্ট বিকাশ ঘটেছিল। একইভাবে মধ্যযুগের ইউরােপেও বাণিজ্যের যথেষ্ট বিকাশ ঘটেছিল। নীচে ভারত ও ইউরোপের বাণিজ্যের মধ্যে একটি তুলনামূলক আলােচনা করা হল一 ভারতের বাণিজ্য ইউরােপের বাণিজ্য History সব প্রশ্ন উত্তর (একাদশ শ্রেণীর)
প্রাচীন ভারতের গিল্ড বা সংঘগুলির কয়েকটি বৈশিষ্ট্য লেখাে। গিল্ডের পতনের কারণ কী ছিল?
প্রাচীন ভারতে গিল্ডের বৈশিষ্ট্য প্রাচীন ভারতে বিভিন্ন বণিক ও বিভিন্ন পেশার কারিগর-শিল্পীরা গিল্ড বা সংঘ গড়ে তুলেছিল। ‘নারদ-স্মৃতি, ‘বৃহস্পতি-স্মৃতি ও অন্যান্য সূত্র থেকে গিল্ডের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আভাস পাওয়া যায়। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি ছিল— [1] নির্দিষ্ট পেশাগত ভিত্তি: বিভিন্ন পেশার সঙ্গে নিযুক্ত ব্যক্তিরা নিজেদের পৃথক পৃথক গিল্ড গড়ে তুলত। কামার, কুমাের, তাতি প্রভৃতি বিভিন্ন পেশার ...
