ভারতে বিভিন্ন রাজপুত রাজ্য ও রাজবংশের উত্থান সম্পর্কে আলােচনা করাে।
সূচনা: ভারতের ইতিহাসে ৭১২ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১১৯২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কাল ‘রাজপুত যুগ নামে পরিচিত। এই সময়ের মধ্যে উত্তর ভারতে বিভিন্ন রাজপুত রাজবংশের উত্থান ঘটে। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল গুজরাটের চালুক্য বংশ, আজমির ও দিল্লির চৌহান বংশ, কনৌজের গাহড়বাল বংশ, বুন্দেলখন্ডের চান্দেল্ল বংশ, মালবের পারমার বংশ প্রভৃতি। রাজপুত রাজ্য ও রাজবংশের উত্থান [1] দিল্লি ও আজমীরের ...
রাজপুত জাতির উৎপত্তি সংক্রান্ত মতবাদ সম্পর্কে আলােচনা করাে।
সূচনা: ‘রাজপুত্র’ শব্দটির অপভ্রংশ রূপ হল ‘রাজপুত”। ৭১২ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১১৯২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে ভারতের ইতিহাসে রাজপুত যুগ বলে অভিহিত করা হয়। এই সময়ের মধ্যে উত্তর ভারতে বিভিন্ন রাজপুত রাজবংশের উত্থান ঘটে। রাজপুত জাতির উৎপত্তি সম্পর্কে বিভিন্ন পণ্ডিত ও ইতিহাসবিদ বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করেছেন। রাজপুত জাতির উৎপত্তি [1] বাণভট্টের অভিমত: হর্ষবর্ধনের সভাকবি বাপভট্টের মতে, রাজপুতরা ...
‘পতিত ক্ষত্রিয়’ বা ‘ব্রাত্য ক্ষত্রিয়’ কাদের বলা হয়? ভারতীয় সমাজজীবনের সঙ্গে যবন, শক ও হুন জাতির মিলন সম্পর্কে আলােচনা করাে।
পতিত ক্ষত্রিয়’ বা ‘ব্রাত্য ক্ষত্রিয় বৈদিক সমাজের বর্ণপ্রথা মৌর্য-পরবর্তী যুগ পর্যন্ত প্রচলিত থাকলেও এই সময় বিভিন্ন বৈদেশিক অনার্য জাতি ভারতে প্রবেশ করে ভারতের সমাজজীবনের সঙ্গে মিশে যায়। এদের মধ্যে উল্লেখযােগ্য ছিল যবন (ব্যাকট্রীয়-গ্রিক), শক, হুন প্রভৃতি। তারা জন্মসূত্রে ক্ষত্রিয় বা যােদ্ধৃজাতি হলেও ভারতের ব্রাহ্মণ্য ধর্মে তাদের স্থান শূদ্রদের ওপরে ছিল না। তারা ব্রাহ্মপ্য ধর্ম গ্রহণ ...
বর্ণপ্রথার বৈশিষ্ট্য কী? ‘বর্ণ’ ও ‘জাতি’-র ধারণার মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করাে।
বর্ণপ্রথার বৈশিষ্ট্য ভারতে ঋগবৈদিক যুগে আর্য সমাজে বর্ণপ্রথা প্রচলিত ছিল। [1] উদ্ভব: অধিকাংশ ঐতিহাসিক মনে করেন যে, ভারতে আগমনের পূর্বে আর্যসমাজে বর্ণপ্রথা প্রচলিত ছিল না। আর্যরা ভারতে আসার পর ঋগবৈদিক যুগে আর্যসমাজে বর্ণপ্রথার প্রচলন ঘটে। [2] সামাজিক ক্ষেত্র: প্রাচীন ভারতে বর্ণপ্রথা মূলত আর্যদের সমাজেই প্রচলিত হয়েছিল। আর্যসমাজের বাইরে অবস্থানকারী জনসমাজে এই প্রথার প্রচলন ছিল না। ...
বৈদিক যুগের জাতি হিসেবে নিষাদ ও ব্রাত্য জাতির পরিচয় দাও।
সূচনা: পরবর্তী বৈদিক যুগের সমাজে জাতিভেদ প্রথার সুস্পষ্ট প্রকাশ ঘটতে দেখা যায়। এসময় বিভিন্ন নতুন পেশার উদ্ভবের ফলে বহু নতুন জাতির উত্থানের পথ প্রশস্ত হয়। এদের মধ্যে অন্যতম ছিল আর্য সমাজব্যবস্থার বাইরে অবস্থানকারী [1] ‘ব্রাত্য ও [2] ‘নিষাদ নামে দুটি জাতিগােষ্ঠী। অথর্ব বেদ, শতপথ ব্রাহ্মণ, পঞ্চবিংশ ব্রাহ্মণ প্রভৃতি গ্রন্থে ব্রাত্য ও নিষাদদের বৈদিক সমাজের অন্তর্ভুক্ত ...
