প্রতি-ধর্মসংস্কার আন্দোলনের বিবরণ দাও।

সূচনা: মধ্যযুগে চার্চ এবং পােপতন্ত্রের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া এই ধর্মসংস্কার আন্দোলনের বিরুদ্ধে ক্যাথলিক চার্চের প্রতিক্রিয়াস্বরূপ যে ধর্মসংস্কার প্রচেষ্টা শুরু হয় তা প্রতি ধর্মসংস্কার (counter-reformation) বা ক্যাথলিক ধর্মসংস্কার (catholic-reformation) নামে পরিচিত। মূলত ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে এই প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মীয় পুনরুজ্জীবন আন্দোলন শুরু হয়েছিল। প্রতি-ধর্মসংস্কার আন্দোলন [1] প্রতি-ধর্মসংস্কার আন্দোলনের উদ্দেশ্য [2] প্রতি-ধর্মসংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট [3] প্রতি-ধর্মসংস্কার আন্দোলনের ...

Read more

ইউরােপের ধর্মসংস্কার আন্দোলনে মার্টিন লুথারের অবদান আলােচনা করাে।

সূচনা: জার্মানি তথা ইউরোপের ধর্মসংস্কার আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ছিলেন মার্টিন লুথার (১৪৮৩-১৫৪৬ খ্রি.)। তিনিই প্রথম খ্রিস্টান চার্চ ও পােপতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক আন্দোলনের সূচনা ঘটান। লুথারের ধর্মতত্ত্বের মূল কথা হল ঈশ্বরে অবিচল বিশ্বাসই মুখ্য, চার্চের আচার-আচরণ গৌণ ব্যাপার। ধর্মসংস্কার আন্দোলনে মার্টিন লুথারের অবদান [1] পােপতন্ত্রের বিরােধিতা [2] খ্রিস্টধর্মের আদর্শের পুনরুজ্জীবনে প্রচেষ্টা: মাটিন লুথার খ্রিস্টধর্মাদর্শের পুনরুজ্জীবন ঘটান। লুথার ...

Read more

ইউরােপে ধর্মসংস্কার আন্দোলনের কারণ, পটভূমি বা প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করাে।

সূচনা: ষােড়শ শতকে উত্তর ও পশ্চিম ইউরােপে প্রচলিত ধর্মব্যবস্থা, পােপের একচ্ছত্র আধিপত্য, রােমান ক্যাথলিক চার্চের নানান দুর্নীতি প্রভৃতির বিরুদ্ধে যে ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়, তাকে ‘রিফরমেশন বা ধর্মসংস্কার আন্দোলন বলা হয়। ধর্মসংস্কার আন্দোলনের পটভূমি বা প্রেক্ষাপট [1] চার্চগুলির দুর্নীতি: মধ্যযুগের ইউরােপে চার্চগুলি ছিল যাবতীয় দুর্নীতির কেন্দ্রস্থল। প্রচুর ভূসম্পত্তির মালিক হওয়া সত্ত্বেও চার্চগুলিকে কোনােরকম কর ...

Read more

বৌদ্ধ ও জৈনধর্মের মধ্যেকার সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য উল্লেখ করাে।

বৌদ্ধ ও জৈনধর্মের মধ্যেকার সাদৃশ্য [1] উদ্ভবগত: ব্রাহ্মণ্যধর্মের অনাচারের প্রতিবাদে বৌদ্ধ ও জৈন—এই দুই ধর্মের উত্থান ঘটে। এ কারণেই এদের প্রতিবাদী ধর্ম হিসেবে অভিহিত করা হয়। এই দুই ধর্মের উদ্ভব ঘটেছিল প্রায় একই সময়ে। উভয় ধর্মই বহুলাংশে হিন্দু দার্শনিক চিন্তা থেকে উদ্ভূত। [2] প্রবর্তকদের মধ্যে সাদৃশ্য: উভয় ধর্মমতই পূর্ব ভারতে এবং প্রায় একই সময়ে উদ্ভূত ...

Read more

জৈন ধর্মমত সম্পর্কে আলােচনা করাে।

সূচনা: ‘জিন থেকে জৈন শব্দের উদ্ভব। জয়ী অর্থে জিন শব্দের ব্যবহার করা হয়। যিনি রাগ, বিদ্বেষ-সহ বিভিন্ন রিপু জয় করতে পেরেছেন, তিনিই জয়ী বা সিদ্ধপুরুষ অর্থাৎ জিন। এই জিনদের প্রচারিত ধর্মমতই হল জৈনধর্ম। জৈন ধর্মমতের নানা দিক [1] দর্শন: জৈনধর্মে ঈশ্বরের অস্তিত্বকে স্বীকার করা হয়নি। জৈন মতে, বিশ্বসৃষ্টি ও তা রক্ষার পেছনে কোনাে দৈব অনুগ্রহ ...

Read more