‘রামমােহন রায়কে বাঙলা গদ্যের জনক’ নামে অভিহিত করার যৌক্তিকতা | বাঙলা গদ্যসাহিত্যের বিকাশে রামমােহন রায়ের অবদান
বাঙলা গদ্যের বিকাশে রামমােহন রায়ের ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সামগ্রিক কৃতিত্ব রামমােহনের রচনাবলী: বাঙলা গদ্যের ইতিহাসে রামমােহন রায়ের (১৭৭২-১৮৩৩) রচনাবলীর মূল্য নিরূপণের আগে আলােচনার সুবিধার জন্যে তার প্রধান রচনাগুলাের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেওয়া প্রয়ােজন। ১৮১৫ খ্রীষ্টাব্দে প্রকাশিত হয় ‘বেদাস্তগ্রন্থ’ এবং ‘বেদান্তসার’। প্রথম গ্রন্থটি বেদান্তের বঙ্গানুবাদ এবং দ্বিতীয়টি বেদান্তের সার সংকলন। ১৮১৬-১৭ খ্রীষ্টাব্দে প্রথম শাস্ত্রীয় বিচার-মূলক রচনা ‘উৎসবানন্দ ...
বাঙলা গদ্যের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশে ফোর্ট উইলিয়ম কলেজের পণ্ডিত-সুনসিদের ভূমিকা | উনিশ শতকে বাঙলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়ম কলেজের দান
বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের ভূমিকা উনবিংশ শতাব্দীর প্রথম অর্ধের সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসের একটি বৈশিষ্ট্য ইংরেজ ও বাঙালী মনীষীদের সহযােগিতা। ১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এই প্রতিষ্ঠান স্থাপনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ইংরেজ সিবিলিয়ানদের এদেশের রীতিনীতি এবং ভাষা সম্পর্কে শিক্ষাদান। এ কাজ শুধু এককভাবে ইংরেজ বা বাঙালী কারও পক্ষে করা সম্ভব ...
উনবিংশ শতাব্দীতে বাঙলা গদ্যের বিকাশে শ্রীরামপুরের মিশনারীগণের দান | শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশনে বাঙলা গদ্যচর্চার পরিচয় দাও এবং বাঙলা গদ্যের বিকাশে শ্রীরামপুরের মিশনারীদের সম্পর্কে আলােচনা
বাংলা গদ্যসাহিত্যের বিকাশে শ্রীরামপুর মিশন ও ফোর্ট উইলিয়ম কলেজের অবদান উইলিয়ম কেরির প্রচেষ্টা: বাঙলা দেশে সংগঠিতভাবে খ্রীষ্টধর্ম প্রচারের জন্য অষ্টাদশ শতাব্দীর একেবারে শেষদিকে (১৭৯৩ খ্রীঃ) জন টমাস উইলিয়ম কেরিকে (১৭৬২-১৮৩৪) বাঙলা দেশে নিয়ে আসেন। জনসাধারণের মধ্যে ধর্মপ্রচার করতে হলে দেশীয় ভাষার মাধ্যম অবলম্বন করা প্রয়ােজন। টমাস এ বিষয়ে প্রথম থেকেই উদ্যোগী ছিলেন; কেরির মতাে একজন ...
১৮০০ খ্রীষ্টাব্দ থেকে বঙ্কিমচন্দ্রের আবির্ভাবের পূর্ব পর্যন্ত বাঙলা গদ্যের ক্রমবিকাশের পরিচয় দাও।
বাংলা গদ্যের ক্রমবিকাশ ১৮০০ খ্রীষ্টাব্দে সংঘটিত দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা—শ্রীরামপুরে ব্যাপটিস্ট মিশন প্রতিষ্ঠা এবং কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ স্থাপন। শ্রীরামপুরে স্থাপিত ব্যাপটিস্ট মিশনের প্রেস থেকে উনবিংশ শতাব্দীর প্রথম অংশে যাবতীয় বাঙলা গ্রন্থ মুদ্রিত হয়। মুদ্রণযন্ত্রের সহায়তা ভিন্ন আধুনিক সাহিত্যের দ্রুত বিকাশ সম্ভব ছিল না, উইলিয়ম কেরির নেতৃত্বে মিশনের কর্মিবৃন্দ বাঙলা সাহিত্যের, বিশেষভাবে বাঙলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে ...
প্রাগাধুনিক কালের বাঙলা গদ্যের পরিচয় দাও।
গদ্যের বিলম্বিত আবির্ভাব: ১৮০০ খ্রীঃ শ্রীরামপুরে মিশন স্থাপন ও মুদ্রণযন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং কলিকাতায় ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ স্থাপন কালকেই আমরা সাধারণভাবে বাঙলা গদ্যের প্রারম্ভযুগ বলে অভিহিত করে থাকি। কিন্তু বাঙলা ভাষা-সৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গেই যে বাঙলা গদ্যের উদ্ভব ঘটেছিল, এই সহজ সত্যকে কোনক্রমেই অস্বীকার করা যায় না। এবং সাহিত্যে গদ্যের ব্যবহার যথেষ্ট বিলম্বিত হলেও চিঠিপত্রে, দলিল-দস্তাবেজে, ধর্ম-ব্যাখ্যা-আদি ...
