ভূদেব মুখােপাধ্যায়-এর রচনাবলীর পরিচয় দাও এবং বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যে তার স্থান নির্দেশ কর।
ভূদেব মুখােপাধ্যায় ভূদেব মুখােপাধ্যায় (১৮২৭-৯৪)-এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে সুরেশচন্দ্র সমাজপতি লিখেছিলেন, “ভূদেব-চরিত্রের মূলসূত্র তাঁহার মৌলিকতা। তিনি ইউরােপীয় সাহিত্য ও সভ্যতার পূর্ণ দীক্ষা গ্রহণ করিয়াছিলেন, কিন্তু কখনও আত্মবিসর্জন করিয়া পাশ্চাত্ত্য পথের পথিক হন নাই। স্বদেশের ধর্মে, শাস্ত্রে, সমাজে, সংস্কারে, সাহিত্যে তাহার প্রভূত আস্থা, অত্যন্ত অনুরাগ ছিল। কিন্তু অন্ধবিশ্বাস কখনও তাহাকে আয়ত্ত করিতে পারে নাই। একদিকে ...
বাঙলা গদ্যরচনার ধারায় ‘আলালের ঘরের দুলাল’ ও ‘হুতােম প্যাচার নকশা’র অবদান | সাহিত্যে কথ্যরীতির গদ্য প্রচলনের প্রচেষ্টার দিক হতে প্যারীচাঁদ মিত্রের রচনার মূল্য বিচার
বাঙলা সাহিত্যে উপন্যাস রচনার ধারায় ‘আলালের ঘরের দুলাল’ ও ‘হুতােম প্যাচার নকশা’ গ্রন্থদুটির মূল্য নিরূপণ কর। বাঙলা গদ্যসাহিত্যের বিকাশে প্যারীচাঁদ মিত্রের অবদান সাহিত্যে কথ্যরীতির গদ্যভাষাকে স্থায়িভাবে প্রতিষ্ঠা দিয়েছেন প্রমথ চৌধুরী। ১৯১৪ সালে তিনি ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা প্রকাশ করে কথ্যরীতির গদ্য প্রচারের জন্য জোরালাে আন্দোলন গড়ে তােলেন। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ প্রমথ চৌধুরীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সকল প্রকার গদ্য ...
প্রাক-বঙ্কিম যুগের গদ্য সাহিত্যে অক্ষয়কুমার দত্তের ভূমিকা সম্পর্কে আলােচনা কর এবং তার রচনাবলীর বিস্তৃত পরিচয় দাও।
গদ্য সাহিত্যে অক্ষয়কুমার দত্তের ভূমিকা এবং রচনাবলী বাঙলা সাহিত্যে বঙ্কিমচন্দ্রের আবির্ভাবের ঠিক আগের যুগটিকে বলা হয় তত্ত্ববােধিনীর যুগ। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের তত্ত্ববােধিনী পত্রিকা কেন্দ্র করে এই যুগের সাহিত্যিক উদ্যোগ সংহতি লাভ করেছিল। তত্ত্ববােধিনী পত্রিকার সম্পাদকরূপে অক্ষয়কুমার দত্ত (১৮২০-১৮ ৮৬) ছিলেন এই সারস্বত সমাজের কেন্দ্রীয় পুরুষ। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের মধ্যে বাঙলা গদ্যের উৎকর্ষ কোন পর্যায়ে পৌঁছেছিল তা ...
‘নূতন ইংরেজি শিক্ষার ঔদ্ধত্যের দিনে শিশু বঙ্গভাষাকে বহু যত্নে কৈশােরে উত্তীর্ণ করিয়া দিয়াছেন’—দেবেন্দ্রনাথ সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথের এই উক্তি কতদূর সার্থক তা আলােচনা কর।
বাংলা গদ্য-সাহিত্যে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভূমিকা দেবেন্দ্রনাথ ছিলেন প্রধানত সমাজ ও ধর্মক্ষেত্রের সংস্কারক। রামমােহন রায় এবং দ্বারকানাথ ঠাকুর যে ব্রাহ্মধর্মের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তার বিকাশ ঘটেছিল মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতে। ‘তত্ত্ববােধিনী সভা’ ও ‘তত্ত্ববােধিনী পত্রিকা’ দেবেন্দ্রনাথের সেই ধর্মীয় প্রেরণারই ফসল। তবে বাস্তব জীবনের সঙ্গেও তার যােগ ছিল সুগভীর। তখনকার সামাজিক বিষয়ের সঙ্গে তিনি ছিলেন খুবই জড়িত। ...
বাঙলা গদ্যের বিকাশে ঈশ্বচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সামগ্রিক কৃতিত্ব | বাংলা গদ্যের ক্রমবিকাশের ইতিহাসে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দান | বিদ্যাসাগর বাংলাগদ্যের প্রথম যথার্থ শিল্পী
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বিভিন্ন ধরনের বাংলা রচনার পরিচয় দিয়ে গদ্যশিল্পী হিসাবে তার কৃতিত্ব বিদ্যাসাগরের রচনাবলী: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১) মহাশয়ের প্রধান রচনাবলীর তালিকাটি নিম্নরূপ- ‘বাংলার ইতিহাস’ (১৮৪৮), ‘জীবন চরিত’ (১৮৪৯), ‘বােধােদয়’ (১৮৫১), ‘শকুন্তলা’ (১৮৫৪), ‘কথামালা’ (১৮৫৬), ‘সীতার বনবাস’ (১৮৬০), ‘ভ্রান্তিবিলাস’ (১৮৬৯)। পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ-ভিন্ন বিভিন্ন বিষয়ে বিচার-বিতর্কমূলক রচনার মধ্যে উল্লেখযােগ্য ‘বিধবা বিবাহ প্রচলিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব’ ...
