কবি নবীনচন্দ্র সেনের গ্রন্থাবলীর পরিচয় দাও | কবি নবীনচন্দ্র সেনের রচনার কাব্যমূল্য বিচার কর

কবি নবীনচন্দ্র সেনের রচনার কাব্যমূল্য মধুসূদন ও রবীন্দ্রনাথের মধ্যবর্তী কালের বাঙলা কাব্যের ক্ষেত্রে হেমচন্দ্র ও নবীনচন্দ্র সেন (১৮৪৭-১৯০৯) ছিলেন অবিসংবাদিত প্রতিষ্ঠাসম্পন্ন কবি। নবীনচন্দ্র কবিত্বশক্তি ও ব্যক্তিত্বের প্রভাবে বাঙলা দেশের সারস্বত সমাজে অসামান্য প্রতিষ্ঠা অর্জন করেছেন। কিশাের বয়স থেকে নবীনচন্দ্র কাব্যচর্চা শুরু করেন। ‘আত্মজীবনী’র একস্থানে তিনি লিখেছেন, “পাখীর যেমন গীতি, সলিলের যেমন তরলতা, পুষ্পের যেমন সৌরভ, ...

Read more

বাঙলা কাব্যের ইতিহাসে হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্থান, অবদান | বাংলা কাব্যধারায় হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদান ও কৃতিত্ব

বাঙলা কাব্যের ইতিহাসে হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদান ও কৃতিত্ব আধুনিক বাঙলা কাব্যের ইতিহাসে পরম্পরার দিক থেকে হেমচন্দ্রের (১৮৩৮-১৯০৩) স্থান মধুসূদনের ঠিক পরেই। নিজের কালে মধুসূদনের চেয়েও তিনি বেশি জনসমাদর লাভ করেছিলেন। উনবিংশ শতাব্দীর শেষ বছরে কবি হিশেবে তার অপ্রতিহত প্রতিষ্ঠা ছিল। মধুসূদনের বৈপ্লবিক প্রতিভা বাঙলা কাব্যের আবহমান ধারার আমূল পরিবর্তন সাধন করেছিল। নব্য শিক্ষায় শিক্ষিত আধুনিক ...

Read more

“মধুসূদন হইতে বাংলা কাব্যে আধুনিক যুগের সূচনা” মধুসূদনের কাব্য-গ্রন্থগুলির পরিচয় দাও এবং প্রসঙ্গত উদ্ধৃত মন্তব্যটির তাৎপর্য | মধুসূদনের কাব্যগ্রন্থগুলির সম্যক পরিচয় দিয়ে উনিশ শতকের বাঙলা কাব্যে ইহাদের অভিনবত্ব

বাঙলা সাহিত্যে মধুসূদনের আবির্ভাব কোন জাতির জীবনে নতুন ভাবের জোয়ার আসে, সেই ভাববস্তু এক এক জন মনীষীর প্রতিভা আশ্রয় করে মূর্ত হয়ে ওঠে। অকস্মাৎ সাহিত্যের প্রচলিত রূপরীতিতে পরিবর্তন দেখা দেয়, সাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা হয়। বাঙলা কাব্যের সুদীর্ঘ ইতিহাসে প্রথম একটা বড়াে পরিবর্তন দেখা দিয়েছিল মধুসূদনের কাব্যকৃতিতে। মধুসূদনের সাহিত্যজীবনের বিস্তার খুব বেশী নয়। তার সাহিত্যচর্চার ...

Read more

“রঙ্গলালের রচনার কাব্যমূল্য বেশি নয়। কিন্তু তাহার দ্বারা নিশীথিনীর মৌন যবনিকা অপসারণের প্রথম সংকেত ধ্বনিত হইয়াছিল বলিয়া ইতিহাসে তাহার বিশিষ্ট মূল্য আছে।” রঙ্গলালের কাব্যকৃতির পরিচয় দান প্রসঙ্গে উদ্ধৃত মন্তব্যটির তাৎপর্য বুঝাইয়া দাও।

রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনার কাব্যমূল্য রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮২৭-১৮৮৭) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের শিষ্যরূপে কাব্যচর্চা শুরু করেছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই তার রচনার ওপরে গুপ্তকবির প্রভাব পড়েছে। কিন্তু রঙ্গলালের কৃতিত্ব এই যে, তিনি ক্রমে গুরুর প্রভাব অতিক্রম করে স্বাধীনভাবে প্রতিভা বিকাশের পথ করে নিতে সক্ষম হয়েছিলেন। ঈশ্বর গুপ্ত আধুনিক শিক্ষার আলােক পাননি। রঙ্গলাল ইংরেজী বিদ্যায় পারদর্শী ছিলেন। ইংরেজী শিক্ষার প্রভাবে বাঙলা দেশে ...

Read more

ঈশ্বর গুপ্তকে বাংলা কাব্যে পূর্বযুগের শেষ কবি এবং নবযুগের প্রথম কবি বলিতে পারি / ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাঙলা সাহিত্য কোন বড় কবি নহেন, তবু তিনি বাঙলা কাব্যে নবযুগের প্রবর্তক- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কবিকৃতির পরিচয়

কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কবিতা সম্বন্ধে সংক্ষেপে আলােচনা করে তাকে ‘যুগসন্ধির কবি’ বলা কতখানি সঙ্গত সে বিষয়ে তােমার অভিমত প্রকাশ কর। ঈশ্বর গুপ্তকে যুগসন্ধির কবি প্রাচীন বাঙলা কাব্যের প্রাণশক্তি ভারতচন্দ্রেই নিঃশেষিত হয়েছিল। ভারতচন্দ্রের পরবর্তীকাল থেকে ঈশ্বর গুপ্তের আবির্ভাব কাল পর্যন্ত পদ্যাকারে যা কিছু রচিত হয়েছে, সেই কবিগানে বা‌ জনরঞ্জনী অন্যান্য গীতিকবিতায় প্রাচীন ধারারই জের টানা হয়েছে। ...

Read more