নাট্যকার হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করলেও দ্বিজেন্দ্রলাল রায় বাংলা কাব্য কবিতার ক্ষেত্রেও তার অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন—আলােচনা কর।

নাট্যকার হিসাবেই দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৮৬৩-১৯১৩) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সমধিক পরিচিত। তার সাহিত্য-প্রতিভাও যথার্থ স্ফুরিত হয়েছে নাট্যরচনার মধ্য দিয়েই। নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলালের দ্যুতি ও জনপ্রিয়তার তুলনায় তার কাব্যপ্রতিভা সেভাবে আলােচিত হয় না। তবু কাব্যধারার বিশিষ্টতায় রবীন্দ্র-প্রতিভার মধ্যাহ্নে দাঁড়িয়ে বিষয় ও আঙ্গিকের অন্যতর সাধনায়, ছন্দ পরীক্ষায় দ্বিজেন্দ্রলাল বাংলা কাব্যসাহিত্যে এক উল্লেখযােগ্য স্থান অধিকার করে আছেন। বাংলাকাব্যের ভাষায়, ভঙ্গিতে ...

Read more

ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত বাঙলা মহাকাব্য ও আখ্যায়িকা কাব্য | আখ্যায়িকা কাব্যধারার বিলুপ্তির কারণ

১৮৫৮ খ্রীস্টাব্দে রঙ্গলালের পদ্মিনী উপাখ্যান’ প্রকাশিত হয়, অতঃপর উনবিংশ শতাব্দীর উত্তরার্ধ জুড়ে কাব্যের যে বিপুল সম্ভার পুঞ্জিত হয়ে উঠেছে তার প্রধান অংশ আখ্যান কাব্য এবং মহাকাব্য জাতীয় রচনা। অধুনিক ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত উনবিংশ শতাব্দীর কবিদের সম্মুখে আদর্শ ছিল স্কট, বায়রন ও মিল্টনের কাব্য। যারা ইংরেজি স্কুলে যে পাঠ গ্রহণ করেছিলেন তারই ভিত্তিতে বাংলা কাব্যের ধারা ...

Read more

বিহারীলাল চক্রবর্তীকে বাংলা গীতিকবিতার ইতিহাসে ‘ভোরের পাখি’ বলার তাৎপর্য | আধুনিক বাঙলা কবিতায় বিহারীলাল চক্রবর্তীর বিশিষ্ট দানের বিচার কর

বাংলা গীতিকবিতার ইতিহাসে বিহারীলাল চক্রবর্তীর ভূমিকা ও অবদান হেমচন্দ্র-নবীনচন্দ্রের কাব্যরসে বাঙলার পাঠক সমাজ যখন আবিষ্ট সেইকালে বাঙলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠতম লিরিক-কবি রবীন্দ্রনাথ প্রথম যৌবনের দিনগুলি অতিবাহিত করেছেন। নবীনচন্দ্রের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল, তৎকালের প্রখ্যাত কবি হেমচন্দ্রের কাব্যের সঙ্গে তিনি পরিচিত ছিলেন। কিন্তু তারা কেউ রবীন্দ্রনাথকে আকর্ষণ করতে পারেন নি। অন্তর্মুখী ভাবপ্রেরণায় যে কিশাের কবি রবীন্দ্রনাথ ...

Read more

বাংলা কাব্যের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের আত্মপ্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত গীতিকবিতার ধারাটির পরিচয় | বিহারীলাল চক্রবর্তীর প্রতিভায় কিভাবে বাংলা গীতিকাব্যের নতুন দিগন্ত উন্মােচিত

গীতিকবিতার বৈশিষ্ট্য: রঙ্গলাল থেকে কাহিনী-আশ্রিত আখ্যায়িকা কাব্য রচনার যে ধারা প্রবর্তিত হয়েছিল, উনবিংশ শতাব্দীর সকল প্রধান কবি তজ্জাতীয় আখ্যায়িকা কাব্য এবং মহাকাব্য রচনায় উৎসাহ বােধ করেছেন। কিন্তু এই কাহিনী-আশ্রিত কাব্যধারার পাশে খণ্ড গীতিকবিতা রচনার প্রয়াসেরও একটা ধারাবাহিক ইতিহাস পাওয়া যায়। ঈশ্বর গুপ্ত থেকে রবীন্দ্রনাথের আবির্ভাবের পূর্ব পর্যন্ত খণ্ড গীতিকবিতা রচনার পরিমাণ কম নয়। কিন্তু খণ্ড ...

Read more

বাংলা মহাকাব্য রচনার ক্ষেত্রে মধুসূদন, হেমচন্দ্র ও নবীনচন্দ্রের কবিপ্রতিভার তুলনা | ঊনবিংশ শতাব্দীতে রচিত আখ্যায়িকা কাব্য ও মহাকাব্য রচনার উপযােগ ও বিকাশ

উনবিংশ শতাব্দীর সমাজ পরিপ্রেক্ষিতে মধুসূদন, হেমচন্দ্র ও নবীনচন্দ্র রচিত বাংলা মহাকাব্যগুলির পরিচয় দাও। বাংলা মহাকাব্যের ধারায় মধুসূদন, হেমচন্দ্র ও নবীনচন্দ্রের কৃতিত্ব কাব্যের মধ্যে পূর্বাপর সঙ্গতি ও ধারাবাহিকতাপূর্ণ কোনও কাহিনী পরিবেষণ করলেই তাকে আখ্যায়িকা-কাব্য’-রূপে চিহ্নিত করা হয়। আর আখ্যায়িকা কাব্য যখন কোনও মহৎ জাতীয় জীবনাদর্শের আধার হয়ে ওঠে, তার বর্ণনায়, চিত্রকল্পে ও চরিত্র-চিত্রণে সেই ভাবসমুন্নতি উদ্ভাসিত ...

Read more