আধুনিক বাঙলা কথাসাহিত্যে প্রভাতকুমার মুখােপাধ্যায়ের দানের মূল্য | বাঙলা সাহিত্যে ছােটগল্প রচনার ধারায় প্রভাতকুমার মুখােপাধ্যায় রচিত ছােটগল্পের বৈশিষ্ট্য
ছােটগল্প রচয়িতা রূপে প্রভাতকুমার মুখােপাধ্যায়ের কৃতিত্ব ও বৈশিষ্ট্য বাঙলা সাহিত্যে ঔপন্যাসিক ও ছােটগল্প-রচয়িতাদের মধ্যে প্রভাতকুমার মুখােপাধ্যায়ের (১৮৭৩-১৯৩২) একটা বিশেষ স্থান আছে। এই শিল্পী অনেকগুলাে উপন্যাস রচনা করলেও মূলত ছােটগল্প রচয়িতারূপেই সাহিত্যিক প্রতিষ্ঠা অর্জন করেছিলেন; মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ-নৈপুণ্য, অন্তর্লোকচারী গভীর আবেগের ঘাত-প্রতিঘাত, জীবনের বিপুল বিস্তার, প্রথম শ্রেণীর উপন্যাসের এই সমস্ত লক্ষণ তার উপন্যাসে আমরা পাই না, জীবনের ...
বাংলা উপন্যাস সাহিত্যে স্বর্ণকুমারী দেবীর দান | বাংলা উপন্যাস সাহিত্যে স্বর্ণকুমারী দেবীর অবদান ও স্থান
বাংলা উপন্যাস সাহিত্যে স্বর্ণকুমারী দেবীর অবদান ও স্থান উনবিংশ শতকে পাশ্চাত্ত্য শিক্ষার আলােয় বাংলাদেশের যে ব্যাপক জাগরণ ঘটেছিল, তারই ফলশ্রুতিতে স্ত্রীশিক্ষা প্রসার ও স্ত্রী-স্বাধীনতার কিছুটা বিকাশও আলােক-প্রাপ্ত পরিবারগুলিতে দেখা দিয়েছিল। সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাতেও আমরা কয়েকজন মহিলাকে কাব্যচর্চায় নিয়ােজিত দেখেছি। গিরীন্দ্রমােহিনী দাসী, কামিনী রায়, মানকুমারী বসু, স্বর্ণকুমারী দেবী থেকে শুরু করে অনুরূপা দেবী, নিরূপমা দেবী, সীতা ...
আধুনিক বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাসে ঔপন্যাসিক রমেশচন্দ্র দত্তের স্থান | বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাসে রমেশচন্দ্র দত্তের অবদান
বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাসে রমেশচন্দ্র দত্তের অবদান ও স্থান বাঙলাদেশের উনবিংশ শতাব্দীর নবজাগরণের ইতিহাস যাদের মনীষায় উজ্জ্বল হয়েছে। রমেশচন্দ্র তাঁদের অন্যতম। সাহিত্য-সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায়ই তার নিরলস পরিশ্রমনিষ্ঠ অনুসন্ধিৎসা ছিল। বঙ্কিমচন্দ্রের অনুপ্রেরণায়ই তিনি বাঙলা সাহিত্যের চর্চায় ব্রতী হয়েছিলেন। বঙ্কিমের মত রমেশচন্দ্রও ছিলেন বিখ্যাত ইংরেজ ঐতিহাসিক ঔপন্যাসিক স্যার ওয়াল্টার স্কটের অনুরাগী। এই সুগভীর ইতিহাসপ্রীতির জন্যই রমেশচন্দ্র বঙ্কিম-প্রবর্তিত ঐতিহাসিক ...
বঙ্কিমচন্দ্রের বাঙলা সাহিত্যে যুগের বৈশিষ্ট্য | বাঙলা সাহিত্যে বঙ্কিমচন্দ্রের প্রভাব
বঙ্কিমচন্দ্রের বাঙলা সাহিত্যে যুগের বৈশিষ্ট্য ও প্রভাব বঙ্কিমচন্দ্র যুগস্রষ্টা ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যিক; যুগসৃষ্টির দুর্লভ প্রতিভা নিয়েই তিনি জন্মেছিলেন। তার প্রতিভার বিপুল ঐশ্বর্যে তিনি বাঙলা উপন্যাসকে যে সমৃদ্ধি দিয়ে গেলেন, তার তুলনা হয় না। তার আগেও বাঙলা সাহিত্য জগতে উপন্যাস রচনার যে স্বল্প প্রচেষ্টা দেখা গিয়েছিল তা উপন্যাসের সৃষ্টি ও কল্পনাকে খুব বেশি সঞ্জীবিত করতে পারে ...
বঙ্কিমচন্দ্রের সামাজিক উপন্যাসগুলির সাহিত্যিক মূল্য | সামাজিক উপন্যাসগুলিতে বঙ্কিমচন্দ্রের জীবনদৃষ্টির পরিচয়
সামাজিক উপন্যাসগুলিতে বঙ্কিমচন্দ্রের জীবনদৃষ্টির পরিচয় বঙ্কিমচন্দ্রের সামাজিক বা গার্হস্থ্যধর্মী উপন্যাসগুলির মধ্যে বঙ্কিমপ্রতিভার উজ্জ্বলতম দিকটিকে লক্ষ্য করা যায়। তার সামাজিক উপন্যাসের মধ্যে ‘বিষবৃক্ষ’ (১৮৭৩), ‘রজনী’ (১৮৭৭), ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ (১৮৭৮) প্রসিদ্ধ। ‘ইন্দিরা’ (১৮৭৩) ও ‘রাধারাণী’ও (১৮৭৬) গার্হস্থ্যধর্মী উপন্যাস; কিন্তু এই দুটিতে বঙ্কিমপ্রতিভার শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর তেমন নেই। সামাজিক উপন্যাস রচনার পেছনে মনে হয় বঙ্কিমচন্দ্রের চিত্তলােকে তৎকালীন বাঙলাদেশের সমাজ-চেতনার দিক ...
