বীরাঙ্গনা কাব্যের ‘লক্ষ্মণের প্রতি শূর্পনখা’ কবিতার কাব্যশৈলী বিচার করো।
পত্রটির উৎসসূত্র বাল্মীকি রামায়ণ। পিতৃসত্য পালনের জন্য পঞ্চবটী অরণ্যে নির্বাসিত বনবাসী লক্ষ্মণের যৌবন কান্তিতে মুগ্ধ হয়ে লঙ্কাধিপতি রাবণের ভগিনী শূর্পনখা তার প্রেমে পড়ে। আর তার প্রেম নিবেদনের উদ্দেশ্যেই দশরকন্দন রামানুজ লক্ষ্মণকে এই পত্রটি লিখেছিন । মোট ৭টি স্তবক পত্রটি সমাপ্ত হয়েছে। পত্রিকাটি এক কুমারী হৃদয়ের প্রণয়জনিত রোমান্টিক ভাবোচ্ছ্বাসে ভরা। বনবাসী লক্ষ্মণের পরিচয় শূর্পনখা জানত না। ...
বীরাঙ্গনা কাব্যের ‘দশরথের প্রতি কৈকেয়ী’ কবিতার কাব্যশৈলী বিচার করো।
বিংশ শতকের ভাষাবিজ্ঞান ও আধুনিক সমালোচনা পদ্ধতির যৌথ ফসল শৈলী বিজ্ঞান। সাহিত্যে আমাদের ভাবের প্রকাশ ঘটে থাকে ভাষা তার অনুসারী হয়। কিন্তু দৈনন্দিন কথাবার্তার ভাষাতে শুধুমাত্র communication ঘটে সাহিত্যে লক্ষ্য Expression কবিগণ ভাষায় Foregrounding ঘটান সচেতন, অচেতন ভাবেই, মূল লক্ষ ভাবের বিস্তার ঘটানো। টার্নারের মতে— “Stylistics is that part of Linguistics which concentrates on veriation ...
‘পরম অধর্মাচারী রঘুকুলপতি’ বারংবার উচ্চারিত এই অভিযোগ এবং খেদ কেকেয়ী চরিত্রকে তথাকথিত পতিব্রতার পরিবর্তে কীভাবে ও কেন প্রতিবাদী নারীতে রূপান্তরিত করেছে; তা ‘দশরথের প্রতি কেকেয়ী’ অবলম্বনে বিশ্লেষণ করে বলো।
‘দশরথের প্রতি কেকেয়ী’ পত্রটি বিশ্লেষণ করো। ‘দশরথের প্রতি কেকেয়ী’-পত্রে রামায়ণের সর্ব নিন্দিত নারী কেকেয়ীকে আমরা ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য বোধে উদ্দীপ্ত হতে দেখি। চারিত্রিক গুণাবলীর বিচারে কেকেয়ী অবশ্যই সমালোচনার উর্ধে নন, তথাপি তাঁর প্রতি কবি মধুসূদনের সহানুভূতি ছিল আন্তরিক। তিনি পুত্র স্নেহে অন্ধ, স্বার্থ পরায়ণ ও প্রতিহিংসা কাতর তথাপি তাঁর ব্যক্তিত্ব অনস্বীকার্য। দশরত তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র রামচন্দ্রে ...
দশরথের প্রতি কৈকেয়ী পত্রিকার শৈলী বিশ্লেষণ করে একটি শিল্পকুশলতা দেখাও | তোমার বিচারে বীরাঙ্গনা কাব্যের শ্রেষ্ঠ পত্রিকা কোনটি? যুক্তিসহ আলোচনা করো।
বীরাঙ্গনাকাব্যে মধুসূদন দত্ত যেকটি চরিত্রলিপি লেখিকা হিসাব নির্বাচন করেছেন তারা সকলেই পৌরাণিক চরিত্র। সবচেয়ে বেশি চরিত্র তিনি সংগ্রহ করেছেন মহাভারত থেকে। এইসব চরিত্রের কেউই ঠিক অবিকৃত পৌরাণিক ধারণা নিয়ে এই কাব্যগ্রন্থে উপস্থিত হয়নি, বস্তুত সেরকম হলে কবি সেই চরিত্রের প্রতি মমত্ববোধ করতেন না। চরিত্রের কোনো অস্ফুট বা অস্পষ্ট প্রবণতার সন্ধান পেলেই তিনি উৎসাহিত হয়েছেন এবং ...
বীরাঙ্গনা কাব্যের ‘সোমের প্রতি তারা’ কবিতার কাব্যশৈলী বিচার করো।
সোমের প্রতি তারা পত্রিকাটি ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্যের ২য় পত্রকাব্য। মধুসূদনের এই পত্রটি আঙ্গিকগত ভাবগত দিক থেকে বৈপ্লবিক। ভাবে মাইকেল এখানে বিপ্লব এনেছেন—নারীমুক্তি ও নারী স্বাধীনতার তত্ত্ব প্রকাশের মাধ্যমে। যদিও ‘তারা’ চরিত্রটি পুরাণ থেকেই উঠে এসেছে তবে এই তারার আত্মা গড়ে উঠেছে ঊনিশ শতকীয়া রেনেসাঁসের নারী জাগরণের পটভূমিকায়। আঙ্গিকে কবি এখানে বিপ্লব ঘটিয়াছেন তার Blank Verse বা ...
