ইন্দো ইরানীয় ভাষার সাধারণ ভাষার পরিচয়
ইন্দো ইরানীয় ভাষার সাধারণ ভাষার পরিচয় মূল ইন্দো ইউরােপীয় বা মূল আর্যভাষার স্পৃষ্ঠ ধ্বনির পরবর্তী রূপান্তরের উপর ভিত্তি করে এই বংশের ভাষা গুলিকে দুটিগুচ্ছে ভাগ করা হয়েছে যথা- সতম (Satam) ও কেন্তুম (Centum) এই সতম শাখা গুলির মধ্যে প্রাচীন সাহিত্য বিশেষ সমৃদ্ধ হল ইন্দো ইরানীয় শাখা। মূল ইন্দো ইউরােপীয় ভাষার যে শাখাটি দ্বিধাবিভক্ত হয়ে ভারতবর্ষও ...
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বাংলা ভাষার বিবর্তনের ইতিহাস | বৈদিক থেকে বাংলা পর্যন্ত ভারতীয় আর্যভাষার একটি ধারাবাহিক বিবরণ
বৈদিক থেকে বাংলা পর্যন্ত ভারতীয় আর্যভাষার ধারাবাহিক বিবরণ সম্প্রতি সমগ্র বিশ্বে প্রায় সাড়ে চার হাজার ভাষা বিদ্যমান তাদেরকে বিভিন্ন বর্গে বিভাজিত করলে মূল বারােটি ভাষাবংশ বেরিয়ে আসে। এদের মধ্যে মূল আর্যভাষা বা ইন্দো ইউরােপীয় ভাষা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পৃথিবীর বহু অঞ্চলে যে সমস্ত আধুনিক ভাষার প্রচলন আছে তা মূলতঃ এই ভাষা থেকে সৃষ্টি হয়েছে। আর ...
নব্য ভারতীয় আর্যভাষার বর্গীকরণ কর | আধুনিক ভারতীয় আর্যভাষার বিভিন্ন শাখা
নব্য ভারতীয় আর্যভাষা ভৌগােলিক অঞ্চল ভেদে যে বিশেষ বিশেষ রূপ লাভ করেছিল তাদের পরিচয় দাও। ঐতিহাসিক এবং ভৌগােলিক দিক থেকে প্রাচীন এবং মধ্যভারতীয় আর্যভাষার মতাে নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও বর্গীকরণ সম্ভবপর। প্রাচীন ও মধ্যযুগে ভাষা যেমন উত্তরদেশীয়া বা ‘উদীচ্যা’, দক্ষিণদেশীয়া বা ‘অবাচ্যা’, পূর্বদেশীয়া বা ‘প্রাচ্যা’, পশ্চিমদেশীয়া বা ‘প্রতীচ্যা’ এবং ‘মধ্যদেশীয়া’- মােটামুটি এই প্রধান পাঁচটি শ্রেণীতে বিভক্ত ...
মধ্যভারতীয় আর্যভাষা বিভিন্ন যুগে আত্মপ্রকাশ | প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার রূপ-রূপান্তর
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার রূপ-রূপান্তর আনুঃ খ্রীঃ পূঃ পঞ্চদশ শতাব্দীর দিকেই আর্যদের একটি শাখা ঈরান থেকে ভারতে প্রবেশ করেছিল। তারা ভারতবর্ষে এসে যে ভাষা ব্যবহার করতাে, তাকে বলা হয় ‘ভারতীয় আর্যভাষা’ (Indo-Aryan Language)। এই ভাষা মূল ‘ইন্দো-ঈরানীয় ভাষা’র (Indo-Iranian Language) তথা ‘আর্যভাষা’র (Arayan Language) একটি প্রধান শাখা। ভারতীয় আর্যভাষা সুদীর্ঘ সাড়ে তিন হাজার বছরের পথ-পরিক্রমায় অন্ততঃ ...
বাংলা ভাষার উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ | বাংলা ভাষার বিবর্তনের ইতিহাস
বৈদিক থেকে বাংলা পর্যন্ত ভারতীয় আর্যভাষার ধারাবাহিক বিবরণ ‘সংস্কৃত ভাষা বাঙলা ভাষার জননী’- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বাঙলা ভাষার উৎপত্তি-বিষয়ে গবেষণা-ভিত্তিক সিদ্ধান্তের পূর্বে এটিই ছিল প্রায় সর্বজনস্বীকৃত মতবাদ। বাঙলা ভাষায় ব্যবহৃত তথা তৎসম শব্দের আধিক্য এবং খাঁটি বাঙলা তথা তদ্ভব শব্দগুলির সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের নিকট সম্বন্ধহেতু বিবেচনা করা হতাে যে ‘সংস্কৃত ভাষাই বাঙলা ভাষার জননী’। ভাষাতাত্ত্বিক অনুশীলনে ...
