মধ্যযুগের বাঙলা ভাষার লক্ষণ | বাঙলা ভাষার আদি-মধ্যযুগের লক্ষণ
বাঙলা ভাষার আদি-মধ্যযুগের লক্ষণ বাঙলা ভাষার আদি-মধ্যযুগে যে সকল গ্রন্থ রচিত হয়েছে, তাদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযােগ্য বড়ুচণ্ডীদাস রচিত ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’। এই যুগের অপর সকল গ্রন্থ বহুল পরিমাণে প্রচলিত ছিল বলে যুগে যুগে তাদের ভাষান্তর ঘটায় মূল ভাষারূপের পরিচয় কোন গ্রন্থেই আর পাওয়া যায় না— সর্বত্রই ভাষা বিকৃত হয়ে অনেকটা আধুনিক রূপ লাভ করেছে। একমাত্র ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ই যে ...
বাঙলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন কোথায় পাওয়া যায় উল্লেখ করে প্রাচীন বাঙলা ভাষার লক্ষণগুলি নির্দেশ কর।
প্রাচীন বাঙলা ভাষার লক্ষণ বর্তমান শতকের গােড়ার দিকে মহামহােপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবার থেকে কিছু প্রাচীন পাণ্ডুলিপি উদ্ধার করে হাজার বছরের পুরাণ ঙলা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশ করেন। পরবর্তীকালে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রভৃতি ভাষাবিজ্ঞানী মনীষিগণ নিঃসন্দেহে প্রমাণ করেন যে উক্ত বৌদ্ধগানগুলির ভাষা প্রাচীন বাঙলা, যদিচ দোহার ভাষা অবহট্ঠ। বৌদ্ধগানগুলি ...
মধ্যভারতীয় আর্যভাষা বিভিন্ন যুগে যেভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তার পরিচয় | মধ্যভারতীয় আর্যভাষার যুগ-বিভাগসহ সাধারণ লক্ষণসমুহ
মধ্যভারতীয় আর্যভাষার যুগ-বিভাগসহ সাধারণ লক্ষণসমুহ আনুমানিক খ্রীঃ পূঃ পঞ্চদশ শতকে আর্যগণ ভারতে আগমন করেন। তাঁদের ব্যবহৃত ভাষাকে বলা হয় ‘প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা’। এই ভাষারূপ মােটামুটি একই ধারায় প্রবাহিত হয়ে চলেছিল খ্রীঃ পূঃ ষষ্ঠ শতাব্দী পর্যন্ত। এরপর থেকেই ভাষাদেহে পৃথক লক্ষণসমূহ ফুটে ওঠায় ভাষাকে ভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়। এর নাম মধ্যভারতীয় আর্যভাষা’ (Middle Indo-Aryan Language) ...
বৈদিক ভাষার সঙ্গে সংস্কৃত ভাষার পার্থক্য | প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার বিশিষ্ট লক্ষণ
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার বিশিষ্ট লক্ষণ প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার প্রাচীনতম রূপটি বর্তমান রয়েছে বেদে এবং তার সর্বাধিক প্রচলিত অর্বাচীন রূপ ‘লৌকিক সংস্কৃত’ ভাষার নিদর্শন পাওয়া যায় রামায়ণ-মহাভারতাদি মহাকাব্য, অষ্টাদশ পুরাণ এবং সংখ্যাতীত কাব্য, নাটক, গদ্য-প্রবন্ধাদি বিভিন্ন গ্রন্থে ও একালে সংস্কৃত ভাষায় রচিত যাবতীয় গ্রন্থাদিতে। প্রায় চার হাজার বছর স্থিতিকালের মধ্যে ভাষার নানা ধরনের পরিবর্তন সাধিত হলেও ...
“সংস্কৃত বাংলা ভাষার জননী” ব্যাখ্যা করাে
“সংস্কৃত বাংলা ভাষার জননী” ভাষা নদীস্রোতের মতই চিরপ্রবহমান। এর গতিপথে যেমন ভিন্ন ভাষার্রোত এসে এর সঙ্গে উপনদীর মতাে মিশ্রিত হয় তেমনি ভিন্নতর শাখারূপেও এর অনেক শ্রােতােধারারও সৃষ্টি হয়ে থাকে। কখনাে বা নদীতে বাঁধ বেঁধে তার কিছু জলকে হ্রদের মতাে আবদ্ধ করে রাখা হয়, কিন্তু কোন বিপর্যয় না ঘটলে নদীর মূল ধারা শুধু এগিয়েই চলে-এর গতিপথ ...
