“ধর্মবোধের কথা বলতে গিয়ে চর্যাপদের সহজিয়া সাধকেরা প্রকৃতপক্ষে বাস্তব চর্চিত জীবনযাত্রার কথাই বলেছেন”—মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

চর্যাপদের মধ্যে একদিকে যেমন আচার সর্বস্ব বৈদিক ব্রাহ্মণ্য ধর্মাচরণের প্রতি বিদ্রুপ এবং অবিশ্বাস প্রকাশিত অন্যদিকে তেমনি হিন্দু ব্রাহ্মণ্য তান্ত্রিক দেহবাদের প্রতি আস্থা জ্ঞাপনও লক্ষ্য করা যায়। বৌদ্ধ ধর্মের বিভিন্ন যানের প্রতি কোন না কোনভাবে সমর্থন জানানো হয়েছে। চর্যাপদে কোনভাবে হিন্দু ব্রাহ্মণ্য ধর্মকে পুরোপুরি স্বীকার করা হয়নি। সিদ্ধাচার্যেরা মোটমুটি সকলেই বৌদ্ধতান্ত্রিক ধর্মপ্রদর্শিত আচার আচারণ পদ ও ...

Read more

বাংলা সাহিত্যে চর্যাগীতির ঐতিহাসিক মূল্য নিরূপণ করো। পরবর্তীকালে বাংলা সাহিত্যে চর্যাপদের ভাবাদর্শ ও রচনা পদ্ধতির কোনো প্রভাব লক্ষ্য করা যায় কি?

চর্যাগীতির ঐতিহাসিক মূল্য : শুধু বাংলা ভাষা কেন, সমস্ত পূর্বভারতের নব্যভাষার প্রথম গ্রন্থ এই ‘চর্যাচর্য বিনিশ্চয়’। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই পুঁথি আবিষ্কারও করে প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের লুপ্ত সম্পদ উদ্ধার করেন। এই গ্রন্থটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অবশ্যই ঐতিহাসিক। ঐতিহাসিক গুরুত্বগুলি হল— সামাজিক দলিল মূল্যের দিক থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এক বিশেষ সময়ের বঙ্গদেশের সামাজিক ইতিহাসটি এই গ্রন্থের ...

Read more

নিম্নোক্ত গ্রন্থ-বিষয়ে টীকা লিখ

পথের দাবি: শরৎচন্দ্র-রচিত গ্রন্থ ‘পথের দাবি’। ‘পথের দাবি’ একটি রাষ্ট্রনৈতিক বিপ্লবের উপন্যাস। অপূর্ব চাকরিসূত্রে ব্রহ্মদেশে যায় এবং সেখানে ভারতীর সঙ্গে পরিচয় ঘটে। সেখানে সব্যসাচী তলােয়ারকর, সুমিত্রা প্রভৃতি অনেকের সঙ্গে যুক্তভাবে একটা সমিতি গঠন করেন, যার উদ্দেশ্য, বিপ্লবের সহায়তায় ভারতবর্ষের স্বাধীনতা লাভ। এই মূল কাহিনীটি অবলম্বন যার বিচিত্র চরিত্রের টানাপােড়েনে দুটি মতবাদের সংঘর্ষ এতে গতি সঞ্চার ...

Read more

শ্বাসাঘাত বলতে কী বােঝায়? শ্বাসাঘাতের ফলে বাঙলা শব্দের আদি, মধ্য ও অন্ত স্বর লােপের দুটি করে দৃষ্টান্ত দাও।

শ্বাসাঘাত: উচ্চারণকালে শব্দমধ্যে কোন নির্দিষ্ট স্থানে যদি বিশেষ জোর দেওয়া হয় এবং ফলে ঐ স্থানের অক্ষরটির সাধারণতঃ বাঙলার প্রতি শব্দের আদিতে এবং বাক্যমধ্যে পদগুচ্ছের আদিতে এরূপ শ্বাসাঘাত পড়ে। এরূপ শ্বাসাঘাতের ফলে ধ্বনি-পরিবর্তন সাধিত হতে পারে। কারণ যে অক্ষরটি শ্বাসাহত হয়, সেটি প্রবল হলে অপর কোন ধ্বনি দুর্বল হতে পারে এমন কি তা লােপও পেতে পারে। ...

Read more

বাংলা ভাষায় শব্দার্থ-পরিবর্তনের [(১) শব্দার্থের সঙ্কোচ; (২) শব্দার্থের প্রসার; (৩) শব্দার্থের উৎকর্ষ, (৪) শব্দার্থের অপকর্ষ (৫) শব্দার্থের আমূল পরিবর্তন।] রূপগুলির প্রত্যেকটির দুটি করে উদাহরণ দিয়ে এদের বিষয়ে আলােচনা কর।

বাঙালা ভাষার শব্দার্থ পরিবর্তন কোন ভাষার কোন শব্দই প্রায় চিরকাল একই অর্থ বহন করে না। নানাকারণেই অধিকাংশ শব্দের অর্থান্তর ঘটে থাকে। শব্দার্থের এই পরিবর্তন নানা ধারায়ই সংঘটিত হলেও ভাষাবিজ্ঞানিগণ প্রধানতঃ পাঁচটি ধারাকেই স্বীকৃতি দিয়ে থাকেন- অর্থসঙ্কোচ/শব্দার্থের সঙ্কোচ: যে কোন শব্দের অর্থসমষ্টির মধ্যে যদি কোন এক প্রধান হয়ে ওঠে অথবা সমষ্টিবাচক শব্দকে ব্যষ্টি অর্থেও সমগ্র থেকে ...

Read more