‘সোনার তরী’ কবিতার মূল ভাব কি আশা না নৈরাশ্য? আলোচনা করে দেখাও।
‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্থেই একটা অনির্বচনীয় সংশয়-বোধ ও আশা-নিরাশার দ্বন্দ্ব সুস্পষ্ট। কবি-হৃদয়ের এই যন্ত্রণাবোধ ও সংশয়ের সূচনা অবশ্য ‘মানসী’ পর্বেই। তবে এই সংশয় ও বেদনা ‘সোনার তরী’তে প্রবল হয়েছে সন্দেহ নেই। কবির ব্যক্তিজীবনের ইতিহাস এবং তাঁর কবি-জীবনের খ্যাতি-অখ্যাতির ঝড় তাঁর এই মানসগঠনের কারণ বলা যেতে পারে। ‘সোনার তরী’র নাম কবিতাটিতে তৎকালীন কবিমানসেরই কিছুটা ছায়াপাত ঘটেছে। কবির ...
নীলধ্বজের প্রতি জনা পত্রিকা অবলম্বনে জনার চরিত্র | জনা কীভাবে ট্র্যাজিক চরিত্র হয়ে উঠেছে, জনার বীরত্ব ও ব্যক্তিত্ব জনার পত্রিকায় কীভাবে প্রকাশিত
মর্মান্তিক ব্যঙ্গ, কঠিন তিরস্কার এবং শেষ পর্যন্ত অন্তর্ভেদী আর্তনাদ জনার পত্রিকাটিকে আগাগোড়া উচ্চম্বরে বেঁধেছে- আলোচনা করো।জনার পুত্রলোক স্বামীর বিরূপতার জন্যই এত করুণ হয়ে উঠেছে আলোচনা করো।আত্মহননের পক্ষে জনার যুক্তিগুলির উল্লেখ করো।বীরপুত্রের মৃত্যুতে শোক ও অকর্মণ্য স্বামীর প্রতি অভিমানই জনা পত্রিকার মূল বিষয়বস্তু আলোচনা করো। করুণ, বীর ও রৌদ্র রসের সমহার জনার পত্রিকাটি বীরাঙ্গনা কাব্যের অন্যতম ...
বীরাঙ্গনা কাব্যের ‘নীলধ্বজের প্রতি জনা’ কবিতার কাব্যশৈলী বিচার করো।
এটি মধুসূদনের ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্যের একেবারে শেষতম পত্র অর্থাৎ একাদশ সংখ্যক পত্র। এ পত্রের কাহিনি মধুসূদন গ্রহণ করেছেন কাশীরাম দাসের মহাভারত থেকে। আর মহাভারতে এ কাহিনি গৃহীত হয়েছিল ‘জৈমিনি ভারত’ থেকে এই পৌরাণিক আখ্যানগুলি থেকে জানতে পারি জনা ছিলেন মাহেশ্বরী পুরীর অধীশ্বর নীলধ্বজের স্ত্রী। তিনি ছিলেন অত্যন্ত গঙ্গভক্ত । গঙ্গার কৃপায় শিবের এক উপাসক জনার গর্ভে ...
‘নীলধ্বজের প্রতি জনা’ পত্রটি বিশ্লেষণ করে জনার মাতৃত্ববোধের স্বরূপ নির্ণয় করো।
‘নীলধ্বজের প্রতি জনা পত্রটির উৎস কাশীরাম দাসের মহাভারত। সেখানে আছে মাতিস্মতী রাজ নীলধ্বজের স্ত্রী জনার কথা। গঙ্গা ভক্ত জনার গর্ভে জন্মগ্রহণ করে প্রবীর। পাণ্ডবদের অশ্বমেধের ঘোড়া পুত্র প্রবীর বন্দি করেছিল। কৃষ্ণ ভক্তক নীলধ্বজ সেই ঘোড়া ফিরিয়ে দিতে বললে পুত্র প্রবীর ফেরৎ না দিয়ে মাতা জনার অনুপ্রেরণায় অর্জুনের সঙ্গে যুদ্ধ করে। যুদ্ধে প্রবীর মৃত্যুবরণ করে। তখন ...
“কেকেয়ী’ ও ‘জনা’র পত্র দুটিতে তাদের ঈর্ষা ও হিংসার তীব্র রূপ প্রকাশ পেয়েছে তা অকল্যাণী হলেও কবির রচনার গুণে উচ্চস্তরের শিল্প হয়ে উঠেছে”–আলোচনা করো।
মধুসূদনের ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্যের চরিত্রগুলি অতীতাশ্রয়ী হলেও নবযুগের দৃষ্টিভঙ্গিতে সেগুলি রূপায়িত হয়েছে। ঘটনার আধার সেকালের এবং মোটামুটি পূর্ব পরিচিত। কিন্তু আশ্রয়ী চরিত্রটি নতুন যুগের ভাবে সতি। বাংলা কাব্যে একটি মধুসূদনের মুখ্য ভূমিকা প্রাচীনের আধারে নবীনের প্রতিষ্ঠা। এই কাজে অগ্রণী হতে তিনি প্রথাসিদ্ধ দোষগুণের কথা ভাবেননি। দোষগুণ সামাজিক লক্ষণ, তার বিচার বাইরে থেকে হয়, ধর্মের দিক থেকে ...
