আক্ষেপানুরাগে— জ্ঞানদাস | আক্ষেপ অনুরাগ এর শ্রেষ্ঠ কবি সম্পর্কে আলোচনা করো

আক্ষেপানুরাগে জ্ঞানদাস প্রেমবৈচিত্ৰ্য্য বা আক্ষেপানুরাগ বৈষ্ণব পদাবলীর এক বিশিষ্ট পর্যায়। এর স্বরূপ নির্ণয় করতে গিয়ে উজ্জ্বল নীলমণি গ্রন্থে বলা হয়েছে। “প্রিয়স্য সন্নিকর্ষেহপি প্রেমোৎকর্ষ স্বভাবতঃ যা বিশ্লেষ ধিয়াতিস্তৎ প্রেমো বৈচিত্র্যমুচ্চতে।।” অর্থাৎ, প্রেমের উৎকর্ষবশতঃ প্রিয়ের সন্নিধানে তার সঙ্গে সহিত বিচ্ছেদ ভয়ে যে বেদনার উপলব্ধি, তার নাম প্রেমবৈচিত্র্য্য। প্রেম বৈচিত্ত্যের মূলকথা প্রেমের উৎকর্ষ এবং প্রেমের উৎকর্ষের জন্য নিজের ...

Read more

জ্ঞানদাসের— রোমান্টিকতা

জ্ঞানদাসের রোমান্টিকতা জ্ঞানদাসের কাব্যের একটি মূলধর্ম রোমান্টিকতা, রহস্যময়তা যাঁর কাব্যের মূল সম্পদ, অন্যান্য বৈক্ষ্ণব পদকর্তার কবিধর্মের সঙ্গে তাঁর পার্থক্য-সহজেই অনুমানযোগ্য। জ্ঞানদাস জানতেন শিল্প নৈপুণ্য কাকে বলে। জানতেন কিভাবে পাঠকের হৃদয়কে ভাবাকুল করে তোলা যায়। যেমন পূর্বরাগের একটি পদে তিনি লিখেছেন— “আলো মুঞি জানো না সই জানো না।” রাধা আকুলভাবে পরম অনুয়ের সুরে প্রকাশ করছেন তাঁর ...

Read more

বৈষ্ণব পদাবলীতে— জ্ঞানদাস | বৈষ্ণব পদাবলী – কবি জ্ঞানদাসের কবি পরিচয়, কাব্য প্রতিভা নিয়ে আলোচনা

বৈষ্ণব পদাবলীতে জ্ঞানদাস “বৈষ্ণব পদাবলীর নিখিল মানবের চিত্তগ্রাহী রোমান্টিক রসপ্রবণতা আছে, এবং আছে বলিয়াই এই পদাবলী শুধু বৈষ্মব মোহাত্তের মঠে এবং পাঠ বাড়ীতে স্থান পায় নাই, আধুনিক সহৃদয় পাঠকেরও রসের ভোগে লাগিয়াছে।” ডঃ অসিত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিমত অনুসরণ করে বলা যায় ধর্মীয় দিক থেকে বৈষ্ণুব পদবলীর বিশেষ মূল্য থাকলেও এর রস ও ভাবের দিক ...

Read more

প্রেমবৈচিত্র্য ও আক্ষেপানুরাগের সংজ্ঞা নির্দেশ করে এই পর্যায়ের পদ আলোচনার সাহায্যে চণ্ডীদাসের শ্রেষ্ঠত্বের কারণ নির্দেশ করো।

প্রেমবৈচিত্র্য ও আক্ষেপানুরাগে চণ্ডীদাসের শ্রেষ্ঠত্বের কারণ চণ্ডীদাসের পদাবলীর যদি কোনও একটি স্থায়ী সুর থাকে, তবে তা বেদনার সুর, আক্ষেপের সুর। নিজেকে হারিয়ে ফেলার মধ্যেই চণ্ডীদাসের সুখ ও আনন্দ। চণ্ডীদাস নিরাসক্ত শিল্পী নয়, দূর থেকে লীলাস্তরের মতো রাধাকৃষ্ণের লীলাবৈচিত্র্য দর্শন করতে করতে কখন যেন নিজেকেই রাধার অঙ্গীকৃত করে নিয়েছেন। চণ্ডীদাসের ব্যক্তিজীবনে হয়তো কিছু ঘাত প্রতিঘাত জুটেছিল, ...

Read more

বৈষ্ণব সাহিত্যে চণ্ডীদাস সমস্যা

বৈষ্ণব সাহিত্যে চণ্ডীদাস সমস্যা ১৩১৬ বঙ্গাব্দে (১৯০৯ খ্রীঃ) বসন্তরঞ্জন রায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুঁথি আবিষ্কার করেন। ১৩২৩ বঙ্গাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে তাঁর সম্পাদনায় গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হওয়ার পর বঙ্গদেশে বিশেষ করে প্রাচীন সাহিত্য রসিক মহলে চণ্ডীদাস সম্পর্কিত সমস্যাটির উদ্ভব হয়। এই সমস্যা আরও প্রবলতর হয়ে ওঠে যখন মনীন্দ্রমোহন বসু কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুঁথিশালা থেকে দীন চণ্ডীদাসের পদ আবিষ্কার ...

Read more