‘সোনার তরী’র যুগে মানবজীবনের সান্নিধ্যে এসে রবীন্দ্রনাথ যে মানবতাবোধে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন তার পরিচয় কীভাবে ‘বৈষ্ণুবকবিতা’য় পাওয়া যায়, আলোচনা করো।
‘সোনার তরী’ কাব্যের কবিতাগুলি রচনাকালে রবীন্দ্রনাথ পল্লীজীবনের সান্নিধ্যে বাস করেছিলেন। বোটে পদ্মানদীতে দিনের পর দিন তিনি ভেসে বেড়াতেন। পদ্মার তটভূমিস্থিত প্রকৃতির সবুজ সমারোহ এবং সাধারণ গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রার প্রবাহ পার্থিব জীবনের প্রতি কবিকে নিরন্তর আগ্রহী করেছে এবং আগ্রহী কবি সেই জীবনের পরম রহস্যকে উপলব্ধি করবার চেষ্টা করেছেন। রবীন্দ্র-সমালোচকরা সকলেই একমত যে পদ্মাতীরে পল্লীপ্রকৃতি ও পল্লীজীবনের ...
‘বৈষ্ণুবকবিতায় কবির মূল প্রতিপাদ্য কী? কবি পার্থিব প্রেমকে কীভাবে লোকাতীত প্রেমের সঙ্গে মিলিয়ে দিয়েছেন, আলোচনা করে দেখাও।
‘সোনার তরী’ পর্বে কবি সুখ-দুঃখে ঘেরা মানবজীবনের ঘনিষ্ঠ সংসর্গে এসেছেন। ফলে এই পর্বে ধ্বনিত হয়েছে এক গভীর মর্ত্যপ্রীতি। ‘সোনার তরী’র ‘বৈষ্ণুবকবিতা’য় মর্ত্যের মানবীয় প্রেমকেই কবি হৃদয়ের গভীর অনুভূতি দিয়ে প্রকাশ করেছেন। তিনি মর্ত্যকে স্বর্গের সঙ্গে বেঁধেছেন, মানব-মানবীর প্রেমের মধ্য দিয়েই ঈশ্বরের প্রতি প্রেমকে উপলব্ধি করার কথা বলেছেন। মানুষকে মানবজীবনের মধ্য দিয়েই পরম সত্তার পরিচয় পেতে ...
‘সোনার তরী’ কবিতাটির অর্থভেদ উপলক্ষে এককালে সাহিত্য জগতে যে বিতর্কের ঝড় উঠেছিল, তার কথা মনে রেখে কবিতাটির যথার্থ তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
নানাজনে ‘সোনার তরী’ কবিতাটির নানা ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তোমার ব্যাখ্যাটি যুক্তি ও উদ্ধৃতিসহ উপস্থাপিত করো। ‘সোনার তরী’ কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পরে এর সপক্ষে ও বিপক্ষে নানা আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়। কবি নিজেও এই বিতর্কে যোগ দিতে বাধ্য হন। বিরূপ সমালোচনা যাঁরা শুরু করেন তাঁদের মধ্যে প্রধান ছিলেন দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। কবিতাটির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলা হয়। ...
‘সোনার তরী’ কবিতাটি সাধারণভাবে একটা বর্ষার চিত্র-রূপময় কবিতা হিসাবে গ্রহণ করা যায় কিনা কিংবা একে রূপকার্থে গ্রহণ করাই সঙ্গত কিনা আলোচনা করো।
কবির উপলব্ধ অনুভূতি প্রকাশের জন্যে যে ভাষাচিত্র রচিত হয় তার সৌন্দর্য প্রাথমিকভাবে পাঠককে অবশ্য মুগ্ধ করে। কবির বলবার যা থাকে তিনি ভাষার শিল্পরূপে প্রকাশ করেন। কবিতার আপাত সৌন্দর্য যদি কোন পাঠককে আকর্ষণ করে এবং অপর কোন তাৎপর্য তাঁর কাছে প্রতিভাত না হয়, তাহলে তিনি কবিতার রূপ উপভোগ করতে পারবেন না এমন কথা বলে চলে না। ...
‘সোনার তরী’ কবিতাটি তত্ত্বাশ্রয়ী কবিতা- আলোচনা করো।
‘সোনার তরী’ কবিতাটি তত্ত্বাশ্রয়ী কবিতা- আলোচনা করো ‘সোনার তরী’ কবিতাটিতে রবীন্দ্রনাথের কবিমানসের একটা ভাবময় অবস্থা রূপকের অন্তরালে আত্মগোপন করে রয়েছে। কবির ভাবজীবনের দিক থেকে দেখলে এই কবিতার কৃষক, চাষ, চাষের জমিটুকু, সোনার ধান, অকস্মাৎ আগত নাবিক, তরীতে ফসল তুলে দেওয়া, শেষে নিজে সেখানে স্থান না পাওয়া—এ সমস্ত প্রসঙ্গই মনে হয় অপর একটা ভাবগত উপলব্ধির রূপক। ...
