নিসর্গের অমোঘ সত্য এবং মানবলোকের একটি সকরুণ মুহূর্ত দুই-এ মিলিয়া যে কি অনির্বচনীয় কাব্যরূপ লাভ করিতে পারে ‘যেতে নাহি দিব’ কবিতাটি তাঁহার প্রমাণ। আলোচনা করো।

এ পৃথিবীতে একটি অনস্বীকার্য প্রাকৃতিক সত্য এই যে সবই অনিত্য। সব কিছুই ক্ষণস্থায়ী, কোন বন্ধনই চিরন্তন নয়। তবুও মানুষের ভালোবাসা, প্রীতি, স্নেহ, সংসারের অনিত্যতাকে অস্বীকার করতে চায়, কারণ ভালোবাসার ধনকে চিরকালের মত বক্ষলগ্ন করে রাখার আকাঙ্ক্ষাই জীবনের ধর্ম। কিন্তু এ আকাঙ্ক্ষা কখনই পূর্ণ হয় না। স্থিতি ও গতির দ্বন্দ্বে বিশ্বসংসারে নিরন্তর বেদনার সুর বেজে উঠছে, ...

Read more

‘যেতে নাহি দিব’ কবিতাটি কিভাবে একটি সাধারণ বাস্তব ঘটনা দার্শনিক উপলব্ধির স্তরে পৌঁছেছে, আলোচনা করে দেখাও।

একটি ক্ষুদ্র সংসার জীবনের বাস্তব ঘটনার বর্ণনা ‘যেতে নাহি দিব’ কবিতাটির সূচনা। এই ক্ষুদ্র ঘটনাজনিত মানুষের সাধারণ অনিবার্য হৃদয়-বেদনা অপূর্ব কল্পনাশক্তির বিস্তারে নিখিলবিশ্বের অন্তরস্থিত সুগভীর বেদনা, পৃথিবী মায়ের বেদনা পীড়িত সন্তানস্নেহের এক সর্বব্যাপী বিষাদ সঙ্গীতে রূপান্তর ঘটেছে। পূজাবকাশের পর একদিন হেমন্তের দ্বিগ্রহরে কবি প্রবাসে কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। দরজায় গাড়ী দাঁড়িয়ে রয়েছে। ভৃত্যরা ...

Read more

“একটি ক্ষুদ্র সংসারজীবনের ব্যর্থ স্নেহ, অসহায় মানুষের একটি সাধারণ অনিবার্য হৃদয়বেদনা অপূর্ব কল্পনাশক্তির যাদুমন্ত্রে নিখিল বিশ্বের অন্তলীন মর্মব্যথায়, আদিমাতা ধরিত্রীর বেদনাপীড়িত সন্তানমমতার এক সর্বব্যাপী বিষাদ-সঙ্গীতে রূপান্তরিত হইয়াছে।”—আলোচনা করো।

‘যেতে নাহি দিব’ কবিতায় কবি বিশেষ এক কাহিনীসূত্র অবলম্বন করে এক নির্বিশেষ তজ্বলোকে উত্তীর্ণ হওয়ার শক্তি দেখিয়েছেন। -আলোচনা করো।দ্বারপ্রান্তে লীন স্তব্ধ মর্মাহত চারি বৎসরের কন্যাটির বেদনা কিভাবে উদাসী বসুন্ধরার দূরবিস্তারী বেদনার সঙ্গে এক হয়ে গেল তা’ ‘যেতে নাহি দিব’ কবিতা অবলম্বনে বিশ্লেষণ করো। ‘যেতে নাহি দিব’ কবিতাটি শুরু হয়েছে গল্প বলার ভঙ্গিতে। চাকরিজীবী বাঙালি মধ্যবিত্ত ...

Read more

মানবজীবন যে একটা ট্র্যাজেডি মাত্র, শুধু এই পুরাতন কথাটারই কি কাব্যরূপ ‘যেতে নাহি দিব’? যুক্তিপূর্ণ উত্তর দাও।

এ জগতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়, জন্মলাভ করলে মৃত্যু অনিবার্য। আমরা যতই নিবিড় ভালোবাসার বন্ধনে আমাদের প্রিয়জনকে বেঁধে রাখতে চাই না কেন, বিশ্বের অপ্রতিরোধ্য নিয়মে সে বাঁধনকে শিথিল করতেই হয়। জগতে তাই বেদনা জাগছে, মানুষের হাহাকার সারা বিশ্বে ব্যাপ্ত হয়ে পড়েছে। রবীন্দ্রনাথের ‘যেতে নাহি দিব’ কবিতাটিতে যে উপলব্ধি প্রকাশিত হয়েছে তার মূলে মানবজীবনের এই করুণ দিকটি ...

Read more

‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্থের পাঠ্য কবিতাগুলি অবলম্বনে ‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্থের নামকরণের সার্থকতা প্রতিপন্ন করো।

কাব্যের প্রথম কবিতার নামই ‘সোনার তরী’, সমগ্র কাব্যগ্রন্থটির নামও তাই। প্রথম কবিতার নাম বা প্রধান ভাবপ্রকাশ কবিতার নাম অনুসারে কাব্যের নামকরণ অন্যত্রও দেখা যায়। ‘চিত্রা’, ‘বলাকা’ প্রভৃতি কাব্যে এই রীতিই অনুসৃত। ‘সোনার তরী’ কবিতাটির মধ্য দিয়ে এ কাব্যের মূল কথা প্রকাশিত হয়েছে বলেই কাব্যগ্রন্থের একই নাম। এ কাব্যের আরও দুটি প্রধান কবিতা ‘মানসসুন্দরী’ এবং ‘নিরুদ্দেশ ...

Read more