‘বসুন্ধরা’ কবিতার মর্মকথা কবিমনের কোনো বিচ্ছিন্ন অনুভূতি নয়, তার সঙ্গে রবীন্দ্রমানসের পূর্বাপর ভাবনাক্রমের যোগ আছে আলোচনা করো।

রবীন্দ্রনাথের সমগ্র সাহিত্যধারা বিশ্লেষণ করলে তাঁর চিন্তা ও অনুভূতির একটি ধারাবাহিক ক্রমপরিণতির পথরেখা অত্যন্ত স্পষ্ট হয়ে ওঠে। রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং তাঁর জীবন কাব্যধারাকে অবিচ্ছিন্ন বলে স্বীকার করেছিলেন। বিশেষ বিশেষ পর্যায়ে হয়তো এক-একটি বিশেষ ভাব বা অনুভূতি তীব্র হয়ে প্রকাশ পেয়েছে, কিন্তু তাকে কখনোই প্রক্ষিপ্ত বা আকস্মিক বলা যাবে না। ‘বসুন্ধরা’ কবিতায় রবীন্দ্রনাথের প্রকৃতিপ্রীতি ও বিশ্বাত্মবোধের যে ...

Read more

‘বসুন্ধরা’ কবিতাটির মধ্যে বিশ্বপ্রকৃতির সঙ্গে কবিচৈতন্যের এক সুনিবিড় একাত্মতার বাণী শোনা যায় আলোচনা করো।

‘বসুন্ধরা’ কবিতায় কবির বিশ্বপ্রীতির আবেগ শেষপর্যন্ত এক বিশ্বাত্মবোধের দর্শনে সংহতৎরূপ লাভ করেছে আলোচনা করো। রবীন্দ্রনাথ প্রধানত কবি এবং তিনি বৃহদর্থে বিশ্বপ্রকৃতির কবি। রবীন্দ্রনাথের এই প্রকৃতিচেতনা এতই সুনিবিড় যে, তিনি কেবল প্রকৃতি ও প্রাণপ্রবাহের নিরন্তর সৌন্দর্য সম্ভোগেই পরিতৃপ্ত নন, কখনো কখনো তিনি নিজেকে সেই বিশ্বপ্রকৃতির চৈতন্যের অংশ হিসাবেই পরিগণিত করেছেন। রবীন্দ্রনাথের এই যে বিশ্বপ্রকৃতির সঙ্গে একাত্মতাবোধের ...

Read more

“কী গভীর দুঃখে মগ্ন সমস্ত আকাশ সমস্ত পৃথিবী।”—দুঃখটি কী? কবি-চিত্তে কীভাবে দুঃখটির উপলব্ধি ঘটল? কবিতা অনুসরণ করে সেই দুঃখের বর্ণনা দাও।

এই পৃথিবী প্রতি মুহূর্তে নব নব রূপে প্রাণ সৃষ্টি করে তুলছে। ধরিত্রীর বুক ভরে আছে এই প্রাণসম্পদে। মাতার মত স্নেহ ব্যাকুলতায় বসুন্ধরা তাঁর এই হৃদয়ের ধনগুলি নিবিড় আলিঙ্গনে ধরে রাখতে চান, যেন তাঁর বুকের স্নেহোৎকণ্ঠা, সেই আকাঙ্ক্ষা ‘যেতে নাহি দিব’ এই বাণীরূপে ব্যক্ত হচ্ছে। কিন্তু এই ভালোবাসার বন্ধন শিথিল করতেই হয়। কিছুই চিরকালের জন্য ধরে ...

Read more

‘যেতে নাহি দিব’ কবিতায় কয়েকটি চমৎকার নিসর্গ বর্ণনা কবি গ্রথিত করেছেন। ঐরকম দুটি বর্ণনার কাব্যসৌন্দর্য বিষয়ে আলোকপাত করো।

‘সোনার তরী’ কাব্যে প্রকৃতি ও মানুষের প্রতি কবির ভালোবাসা উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছে। এ কাব্যে প্রকৃতি-বিষয়ক কবিতা যেমন আছে, মানুষ সম্পর্কিত কবিতারও তেমনি অভাব নেই। ‘যেতে নাহি দিব’ কবিতাটি মানবপ্রেম দিয়ে শুরু হলেও মানবসংসার অতিক্রম করে প্রকৃতির মধ্য দিয়ে সে প্রেম প্রসারিত হয়েছে বিশ্বজগতের দিকে। শিশুকন্যার কাছে বিদায় নিয়ে বেদনাভারাক্রান্ত হৃদয়ে কবি যাত্রা করলেন তাঁর গন্তব্যস্থলের ...

Read more

কন্যার নিকট থেকে বিদায় নিয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে ‘চলিতে চলিতে পথে’ পিতার হৃদয়ে যে-নিগূঢ় বেদনাময় অনুভব জেগেছিল তার পরিচয় দাও।

‘যেতে নাহি দিব’ কবিতার আরম্ভ অংশের রসানুগ আলোচনা করো। ‘যেতে নাহি দিব’ কবিতার বাহ্য অবয়বে স্পষ্ট দুটি স্তর। প্রথম স্তরে, কবির ব্যক্তিজীবনের এক বিশেষ অভিজ্ঞতা, দ্বিতীয় স্তরে সেই বিশেষ অভিজ্ঞতা ক্রমে বিশ্বজগতের চিরন্তন সত্যে উপনীত করেছেন কবি। কবিতাটির মর্মবাণী সেই চিরন্তন সত্যটিকে প্রকাশ করলেও কবিতার প্রথমাংশটি বাস্তবতায়, প্রত্যক্ষতায়, রসময়তায় অসাধারণ এ কথা স্বীকার করতে হবে। ...

Read more