‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’য় স্বৈরিণী নারীরূপে কালােশশী কালাে বৌ চরিত্রটির স্বরূপ বর্ণনা করাে।
‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’য় কালােশশী কালাে বৌ চরিত্র স্বৈরিণী নারী কালােশশী— আটপৌরে পাড়ার ডাকাত পরম কাহারের বিয়ে করা বউ। আটপৌরদের গােরাচাদের বেটার বেটী। হাঁসুলী বাঁকের উপকথার এক নজর কড়া চরিত্র। এই উপন্যাসের দুটি নেমেসিস একটি কন্দ্রাবাবার বাহন বিষধর চন্দ্রবােড়াকে পুড়িয়ে মারা আর একটি মুহূর্তের উন্মাদনায় কাহার পাড়ার মাতব্বর বনওয়ারী কালােশশীর সঙ্গে কর্তাবাবার ঠাই এর কাছে যৌনমিলন। ...
‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’য় উপকথার নায়িকা রূপে সুচাঁদের চরিত্র | ‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’য় সুচাঁদের চরিত্র
‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’য় সুচাঁদের চরিত্র সুচাঁদ উপকথার নায়িকা। উপকথার ব্যাখ্যা করে সে। অশীতি পর এই বৃদ্ধা পৌরাণিক কল্পনা, অলৌকিক সংস্কার ও বিশ্বাস প্রাচীন কিংবদন্তী ও আখ্যান, সদ্য অতীতের ঘটনা প্রতিফলিত জীবনদর্শনের প্রতীক হিসেবে যেন এক দৈবশক্তির অনুভবকারিণী শক্তি। অলৌকিক দৈব-শক্তিকে সুচাঁদ অনুভব করে। এর ব্যাখ্যা করে তার পরবর্তী বংশধরদের আশ্চর্য করে দেয় প্রতিনিয়ত। “কাহার পাড়ার ...
‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’ উপন্যাসের নারী চরিত্র পাখির স্বরূপ উদঘাটন করাে।
‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’ উপন্যাসের নারী চরিত্র পাখি উপন্যাসে পাখির প্রসঙ্গে সুচাদের মুখে তার একটা জন্মবৃত্তান্ত পাওয়া গেছে। সুঁচাদের ফন্যা বসন্তের মেয়ে এই পাখি। মেয়ে কন্ত খুব ফর্সা নয়। কিন্তু পাখি তাে একেবারে হলুদমণি ‘পাখি’, চৌধুরী বাড়ির কর্তার ছেলে অকালে মারা গেল মদ খেয়ে। নইলে যুবতী পাখির এখনকার মুখের সঙ্গে তার মুখের আশ্চর্য মিল দেখা যেত। ...
‘ঔপন্যাসিক নয়ানের মা’ নারী চরিত্রটির পরিকল্পনায় যে অভিনবত্বের সমাবেশ ঘটিয়েছেন, তা ব্যাখ্যা করাে।
‘ঔপন্যাসিক নয়ানের মা’ ‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’ উপন্যাসে নারী চরিত্রের বৈচিত্র্য আনার প্রয়ােজনেই হয়তাে বাসিনী বৌ বা নয়ানের মা চরিত্রের পরিকল্পনা করেছেন লেখক। এই নারীর প্রতি বাঁশবাদী গ্রামের কাহার পল্লির কোনা সহানুভূতিই ছিল না বলে তারাশংকর উল্লেখ করেছেন— “নয়ানের মা এককালে ছিল মাতব্বরের পরিবার, ঘর ভাঙানাে ঘরে গিন্নি, তার অহঙ্কার ছিল বেশি, সে অহঙ্কার ভেঙে গেল ...
‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’ উপন্যাসে করালী চরিত্রটির স্বরূপ উদঘাটন করাে।
করালী চরিত্র বনওয়ারীর মতাে সরল না হলেও করালীর চরিত্র খুব জটিল নয়। সে-ও এক যৌগিক চরিত্র। বনওয়ারীর বিপরীত ও বিরােধী। আধুনিক যুগ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অভিঘাতে কাহারদের সমাজে যে কেন্দ্রাতিগ শক্তির জন্ম হয়েছিল, যা প্রত্যক্ষবাদী ও পরবির্তনকামী আত্মবিস্তারে ও আত্মপ্রতিষ্ঠায় আগ্রহী, সে কারণে পরম্পরার প্রতিস্পর্ধী তার এক সার্থক ব্যক্তিরূপ করালী। কেন্দ্রাতিগ বলে তার গতি তির্যক ...
