শ্রীকান্ত (১ম) [ প্রশ্নের মান ৫ ]
শ্রীকান্ত (১ম) [ প্রশ্নের মান ৫ ] পড়ার ঘরে মেজদা হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন কেন? প্রকৃত ঘটনা কি ছিল? মেজদার ফিটের ব্যামো ছিল। তাই অন্ধকারের অকস্মাৎ একটা ‘হুম’ শব্দ শুনে সে ভয়ে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল। আসল ঘটনা হচ্ছে শ্রীনাথ বহুরুপী ‘রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের বেশ ধ’রে শ্রীকান্তের পিসেমশাইয়ের বাড়িতে খেলা দেখাতে এসেছিল। শ্রীকান্ত আর তার অন্য ...
চন্দ্রশেখর – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (ছোটো প্রশ্ন – ৫)
“একটি ক্ষুদ্র বালিকা নীরবে তাহার মুখপানে চাহিয়াছিল…।” বালিকা বলতে শৈবালিনীকে বোঝানো হয়েছে। সে নবদুর্বাদল শয্যায় শয়ন করে প্রতাপের দিকে তাকিয়েছিল। ভাগীরথীর তীরে আম্রকাননে তার প্রায়ই দুজনে জলকল্লোলের মধুময় সঙ্গীত শ্রবণ করতে আসে। তাঁরা সাত-আট বছরের বালক বালিকা। একসাথে খেলাধুলা করে বেড়ায়, এক গাঁয়েই বসবাস করে। শৈবালিনী বন থেকে বন্য-কুসুম চয়ন করে মালা গেঁথে প্রতাপের গলায় ...
শৈবালিনী চরিত্রের আত্মকেন্দ্রিকতা, হৃদয়বৃত্তির উগ্রতা, স্বার্থপরতার দহনজ্বালা তাকে শোচনীয় পদস্খলনের দিকে ঠেলে দিয়েছে, এবং যার ফলে শুধু তার ও চন্দ্রশেখরের দাম্পত্য জীবনেই বিপর্যয় ঘটেনি, প্রতাপের জীবনও ধ্বংস গাড়িচা হয়েছে। -উপন্যাসটি অবলম্বনে এই মতের সমর্থনে তোমার মতামত দাও।
বাল্যপ্রেমকে সার্থক করতে একসাথে ডুবে মরতে গিয়ে প্রতাপ ডুবলেন, শৈবালিনী ডুবলেন না। তিনি ভাবলেন- “কেন মরিব? প্রতাপ আমার কে? আমার ভয় করে, আমি মরিতে পারিব না। শৈবালিনী ডুবিল না, ফিরিল। সস্তরণ করিয়া কূলে ফিরিয়া আসিল।” যে শৈবালিনী প্রতাপের সঙ্গে প্রণয়পর্বে ভেবেছিলেন— “প্রতাপ ভিন্ন পৃথিবীতে সুখ নাই।” সেই শৈবালিনী একসাথে ডুবে মরতে গিয়ে নিজের জীবন যৌবনের ...
‘বালিকা শৈবালিনী একদিন বলেছিল – কেন মরিব? প্রতাপ আমার কে? সেই পরে বলেছিল- আজি হইতে শৈবালিনী মরিল।’ –দুই উক্তির আলোকে শৈবালিনী চরিত্র বিচার করো।
‘চন্দ্রশেখর’ উপন্যাসের নায়িকা শৈবালিনী। এ চরিত্রটি জটিল অথচ বিশিষ্টতায় উজ্জ্বল, অনন্যা। বলিষ্ট ব্যক্তি স্বাত্যন্ত্রই শৈবালিনী চরিত্রের কেন্দ্রিয় সত্য। শৈবালিনী কেবল স্বাতন্ত্র্যমর্মী নারীই নয়, সে অদ্ভুত গতিচঞ্চলা, দূরস্ত গতিশীলা শৈবালিনীর জটিল চরিত্রকে জটিলতর করে তুলেছে। তবে উপন্যাসের প্রথম থেকেই শৈবালিনীর কমনীয়তা চোখে পড়ার মতো। কামনাপদ্ম শত পাপনি বিকশিত করে তখনো পূর্ণ প্রস্ফুটিত হয়নি। অথচ মুদিত কলিকাটির ...
‘শুনিয়া প্রতাপের মাথায় বজ্র ভাঙ্গিয়া পড়িল। তিনি বৃশ্চিক দষ্টের ন্যায় পীড়িত হইয়া সে স্থান বেগে পলায়ন করিলেন।’ কার কথা শুনে কেন প্রতাপের এই অবস্থা বিস্তারিত লেখো। ‘বজ্র ভাঙ্গিয়া পড়িল’ ও ‘বৃশ্চিক দষ্টের ন্যায়’ অংশ দুটির কী? যে সত্য প্রতাপ উপলব্ধি করলেন তার পরিপ্রেক্ষিতে কী করেছিলেন?
শৈবালিনীর কথা শুনে প্রতাপের এমন অবস্থা হয়েছিল। শৈবালিনী ও প্রতাপ বাল্য হতে ভালোবাসতেন দুজন দুজনকে। কিন্তু সামাজিক সম্পর্ক তথা আত্মীয়তার কারণে দুজনের বিবাহ সম্ভব হয়নি। ভালোবাসাকে অমর করতে তাঁরা ডুবে মরতে যান নদীতে। প্রতাপ ডুবেছিলেন কিন্তু শৈবালিনী ডুবতে পারেননি ফিরে এসেছিল। এরপর চন্দ্রশেখরের মহানুভবতায় প্রতাপ প্রাণ ফিরে পেয়েছিলেন এবং শৈবালিনীর রূপে প্রমুগ্ধ হয়ে চন্দ্রশেখর তাঁকে ...
