“নিরুদ্দেশ যাত্রা’, কবিতায় ‘বিদেশিনী’, ‘সুন্দরী’, ‘অপরিচিতা’ নারীমূর্তির রূপকে কবিকল্পনার কোন্ নিগূঢ় অভিপ্রায় ব্যঘ্নিত হয়েছে? এই ‘মধুরহাসিনী’র রহস্যময় নীরব হাসির তাৎপর্যই বা কী?
রবীন্দ্রনাথের কবিমানসে দুটি বিপরীতধর্মী প্রবণতা যে ছিল তা তিনি নিজেই অনেকবার বলেছেন। একদিকে হাসিকান্না সুখ-দুঃখে ভরা এই মর্ত্য-পৃথিবী, অপরদিকে এক পরিপূর্ণ সৌন্দর্যের কাল্পনিক জগৎ তাঁকে আকর্ষণ করেছে। কে এই মর্ত্য-ধরণীর জীবনে তাঁকে আকর্ষণ করে কেই-বা তাঁর মনে জাগিয়ে তোলে সৌন্দর্যের নিরুদ্দেশ আকাঙ্ক্ষা এই জিজ্ঞাসার উত্তরে তিনি তাঁর কবিকর্মের নিয়ন্ত্রীশক্তির অস্তিত্বকে অনুভব করার কথা বলেছেন। এই ...
‘নিরুদ্দেশ যাত্রা’র সুন্দরী কে? তার প্রতি কবির যে মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে তা বুঝিয়ে দাও।
যে অপরিচিতা মধুরহাসিনী বিনোদিনী কবিকে নিরুদ্দেশ যাত্রায় আকর্ষণ করেছেন তার পরিচয় দাও। রবীন্দ্রনাথের কবিচিত্তে দুটি বিপরীতধর্মী প্রবণতা ক্রিয়াশীল ছিল তাঁর নিজের কথায়ই সে স্বীকৃতি রয়েছে। একদিকে এই মর্ত্য-পৃথিবী এবং অপরদিকে এক পরিপূর্ণ সৌন্দর্যের কাল্পনিক জগৎ তাঁকে আকর্ষণ করেছে। কে এই মর্ত্য-ধরণীর জীবনে তাকে আকর্ষণ করে, কেই বা তাঁর মনে জাগিয়ে তোলে নিরুপাধি সৌন্দর্যলাভের আকাঙ্ক্ষা। এই ...
‘নিরুদ্দেশ যাত্রা’ কবিতাটির ভাববস্তু বিশ্লেষণ করো এবং কবিতাটির নামকরণের তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।
রবীন্দ্র কাব্যে যে দুই বিপরীতমুখী প্রবণতা আছে, কবি নিজেই সে কথার উল্লেখ করেছেন। বিশ্বপ্রকৃতি ও মানবজীবনের সঙ্গে তাঁর গভীর আকর্ষণ তাঁকে বিশ্বের প্রত্যক্ষ জীবনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সংযুক্ত হওয়ার জন্য আহ্বান করে। কবি তাতে সাড়া দেন এবং কবিচিত্তের গভীরে প্রোথিত মর্ত্যপ্রীতি ও মানবপ্রীতিকে কাব্যসৃষ্টির মধ্যে প্রকাশ করেন। কিন্তু কবিচিত্তে আরও একটি গভীর আকাঙ্ক্ষা নিগূঢ় হয়ে আছে ...
‘বসুন্ধরা’ কবিতায় এই ইচ্ছা কেন এবং কিভাবে প্রকাশিত হয়েছে | ‘আমার পৃথিবী তুমি বহু বরষের’—কবির এই অনুভূতিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
‘বসুন্ধরা’ কবিতায় এই ইচ্ছা কেন এবং কিভাবে প্রকাশিত হয়েছে নিজ ভাষায় বর্ণনা করো। রবীন্দ্রনাথের প্রকৃতি চেতনার সঙ্গে আশৈশব মিশে গেছে মানবপ্রীতির সুর। রবীন্দ্রনাথের প্রকৃতিপ্রেম তাই বস্তুত প্রকৃতি ও মানবের দ্বৈতলীলা। ‘বসুন্ধরা’ কবিতায় যে বিশ্বাত্মবোধ ধ্বনিত হয়েছে, স্বাভাবিক কারণেই সেখানে বিশ্বপ্রকৃতির সঙ্গে আত্মচৈতন্যের মিলিত হবার আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বিচিত্র জনগোষ্ঠীর বিচিত্র জীবনধারার সঙ্গেও ...
‘আমারে ফিরায়ে লহো, অয়ি বসুন্ধরে’–এই প্রার্থনা উচ্চারণ করার পর কবি কিভাবে বসুন্ধরার কোলে ফেরার বাসনা প্রকাশ করেছেন, তা নিজ ভাষায় বর্ণনা করো।
রবীন্দ্রনাথের প্রকৃতি প্রেম তথা পৃথিবী প্রীতি আশৈশব। বিভিন্ন রচনায় তিনি কৈশোর লগ্ন থেকেই সেই পৃথিবীপ্রেমের দুরন্ত আবেগ প্রকাশ করেছেন। ‘মানসী’ পর্বের ‘অহল্যার প্রতি’, ‘সোনার তরী’, ‘সমুদ্রের প্রতি’, ‘বসুন্ধরা’, ‘ছিন্নপত্রের বিভিন্ন পত্রে কবির বিশ্বপ্রকৃতির সঙ্গে নিবিড় একাত্মতার অনুভবটি বারবার প্রকাশিত হয়েছে। ‘বসুন্ধরা’ কবিতায় প্রথমেই পৃথিবীমাতৃকার প্রতি কবি আকুল আহ্বান করেছেন ‘নির্জন-বিচ্ছিন্ন-একাকীত্ব থেকে বাৎসল্যসিঙ্খিত স্নেহময় ক্রোড়ে টেনে ...
