‘বণিকসহ কালকেতুর কথোপকথন’ এবং ‘কালকেতুর অঙ্গুরী বিক্রয়’ উপাখ্যান দুটির বর্ণনায় কবির কৃতিত্ব বিচার করো।

স্বর্গলোকে দেবী পার্বতীর সঙ্গে মহাদেবের কলহ হলে পার্বতীকে পরামর্শ দেন সখী জয়,–মর্ত্যলোকে নিজের পূজা প্রচার করতে। এরপর দেবী মহাদেবের সহায়তায় ...

Read more

‘বুলান মণ্ডলের প্রতি কালকেতুর’ এবং কালকেতুর প্রতি ফুল্লার উপদেশ অংশদুটির মধ্যে মুকুন্দরামের কবি প্রতিভার কোন্ কোন্ বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে, তা আলোচনা করো।

চরিত্র সৃষ্টি করতে গিয়ে মুকুন্দরাম যে কত বাস্তব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েছেন তা তাঁর কাব্য ‘চণ্ডীমঙ্গল’—স্পষ্ট ধরা পড়ে। জমিদার ও প্রজার ...

Read more

‘কালকেতুর ভোজন’ এবং ‘কালকেতুর নিকট ভাঁড়ু দত্তের আগমন’ অংশ দুটির মধ্যে কবিকঙ্কনের কবি বৈশিষ্ট্যের কোন্ কোন্ দিক প্রকাশ পেয়েছে তা আলোচনা করো।

গ্রাম্য জীবনের সঙ্গে, দারিদ্র্যের সঙ্গে কবিকঙ্কণ যে খুবই ঘনিষ্টভাবে পরিচিত ছিলেন তা ‘কালকেতুর ভোজন’ ও হাস্যরসিকতায় স্বতন্ত্র ‘কালকেতুর সমীপে ভাঁড়ু ...

Read more

শুধু মধ্যযুগ নয়, সমগ্র বাংলা সাহিত্যে ফুল্লরা এক অনন্য সাধারণ নারী চরিত্র—এই উক্তির পক্ষে বা বিপক্ষে তোমার যুক্তি বিন্যস্ত করো।

আধুনিক যুগে কাহিনী কেন্দ্রিক রচনায় চরিত্র প্রাধান্য প্রধান লক্ষণ। প্রার চারশত বৎসর পূর্বে আবির্ভূত কবিকঙ্কণের রচনাশৈলীতে এই আধুনিকতার স্পর্শ পাওয়া ...

Read more

“মধ্যযুগীয় মানুষ হলেও—ব্রাহ্মণ এবং ভূস্বামীর আশ্রয়ে কাব্যরচনা করলেও আমাদের কবি ঠিক সামন্ততান্ত্রিকতাগ্রস্ত হননি।”—তোমাদের পঠিত কাব্যা অবলম্বনে এই অভিমতের পক্ষে বা বিপক্ষে তোমার নিজের মতটি যুক্তি দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করো।

সাহিত্যে আমরা সমাজের একটা সুস্পষ্ট ছবি দেখতে পাই। কারণ মানুষ সামাজিক জীব। কবিরাও মানুষ, সমাজকে এড়িয়ে তাঁরা সাহিত্য রচনা করতে ...

Read more

“সমাজচেতনার বিচারে সমগ্র প্রাগাধুনিক বাঙলা সাহিত্যে কবি কঙ্কণের সুবিদিত কাব্যটির কোনও তুলনা নেই।”–তোমাদের পাঠ্য অংশ অবলম্বনে এই অভিমতটির যথার্থতা বিচার করো।

গতানুগতিকতা বর্জিত বৃহত্তর সমাজ পটভূমিতে মুকুন্দরামের ‘চণ্ডীমঙ্গলকাব্য’টি রচিত। কাব্যো যে চরিত্রগুলি বর্ণিত হয়েছে তা সমাজ জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। চরিত্রগুলির ...

Read more

“মঙ্গলকাব্যে চরিত্র-চিত্রণের গতানুগতিকতা থেকে সরে এসে কবিকঙ্কন এঁকেছেন কালকেতু ও ফুল্লরাকে।”–এই অভিমত যথার্থ কিনা আলোচনা করো।

চরিত্রাঙ্কনে মুকুন্দরাম যে কতখানি দক্ষ শিল্পী তা তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলি বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়। অনেক সমালোচক মন্তব্য করেছেন যে, কবিকঙ্কন ...

Read more

কবিকঙ্কন মুকুন্দের কাব্যে হাস্যরস সৃষ্টির আড়ালে যে গভীর জীবনবোধ নিহিত ছিল, সে সম্পর্কে আলোচনা করো।

বিশেষ প্রতিভাধর শিল্পী না হলে সাহিত্যে হাস্যরস সৃষ্টি করা কঠিন। বাস্তব জীবনবোধ থেকেই হাস্যরসের উৎপত্তি। সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র প্রথম নির্মল ...

Read more

“কবিকঙ্কন মুকুন্দ বস্তুর কারবারি ছিলেন না, ছিলেন বাস্তবরসের স্রষ্টা।”— উদ্ধৃতি সহযোগে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

মুকুন্দরামের বাস্তবতা বোধের পরিচয় বস্তুসঞ্চয়ে নয়, বাস্তবরসের পরিবেশন-নৈপুণ্যে। সর্বাগ্রে আমাদের মনে রাখাতে হবে, বস্তুর কারবারী ও বাস্তবরসের স্রষ্টা ঠিক এক ...

Read more

“মুকুন্দ দুঃখবাদী নন, খুব জোর তাঁকে দুঃখীবাদী বলা যেতে পারে।”— তোমাদের গঠিত ‘কবিকঙ্কণ চণ্ডী’র অংশ অবলম্বনে মন্তব্যটির পক্ষে বা বিপক্ষে যুক্তি দেখিয়ে নিজের অভিমত প্রতিষ্ঠিত করো।

বাস্তব জগতে দুঃখ-দারিদ্র্য, লাঞ্ছনা-বঞ্চনা মানুষের নিত্যসঙ্গী। এই অপরিহার্য বিষয় সম্পর্কে কবিগুরু একদা বলেছিলেন— “দুঃখ যদি না পাবে তো দুঃখ তোমার ...

Read more